|
ভারতকে হটিয়ে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন সহযোগী চীন
মনির হোসেন, মোংলা
|
![]() ভারতকে হটিয়ে মোংলা বন্দরের উন্নয়ন সহযোগী চীন আ.লীগ সরকারের পতনের পর অন্তবর্তী সরকারের আমলেও প্রতিবেশী দেশ ভারতের সাথে বাণিজ্যিক এবং কুটনৈতিক সম্পর্ক খুব একটা সফলতার মুখ দেখেনি। জানা যায়, আ.লীগের আমলে ভারতীয় তৃতীয় এলওসি আওতায় ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ছয় হাজার ১৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘আপগ্রেডেশন অব মোংলা পোর্ট’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয় পণ্য নৌপথে এ বন্দরে এনে সড়কপথে দেশটির অন্য অঞ্চলে নেওয়ার জন্য অবকাঠামো সুবিধা বাড়ানো। প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, সমুদ্র, নদী, সড়ক ও রেলপথ নেটওয়ার্ক তৈরি করার কথা ছিল। এজন্য দেশটি চার হাজার ৪৫৯ কোটি টাকা ঋণ দিতেও সম্মত হয়েছিল। এরই মধ্যে প্রকল্পের আওতায় পরামর্শক খাতে প্রায় ৩৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু সময়মতো ভারত ঋণ ছাড় করেনি। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারী বিএনপি সরকার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয়ার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া এবং চীন সফর করেন। সফরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সাথে বৈঠক করেন। এছাড়াও চীনের সরকারি বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের দ্বার উন্মোচিত হয়। এসময় কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তির আওতায় মোংলা বন্দরের পাশে ১১০ একর জমিতে ইকোনোমিক জোন করার বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দুই দেশের চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের অক্টোবরে মোংলা ইকোনমিক জোনের প্রথম ধাপের কাজ শুরু করবে চীন। এটি সমাপ্ত হলে প্রথমে ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরবর্তীতে ইকোনমিক জোনের পরিধি বাড়ানো হলে ৬০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, চীন সরকারের সহায়তায় ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন দুটি জেটি নির্মাণ করা হবে। জেটি হলে বন্দরে বেশি সংখ্যক জাহাজ আগমনের পাশাপাশি আমদানি রপ্তানি বহুগুনে বাড়বে। বন্দর কর্তৃপক্ষের আশা এবছরেই জেটি দুটির নির্মাণ কাজ শুরু করা যাবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
