|
কারাগারে থেকে কীভাবে গাড়ি পোড়ান সাবেক মেজর সাদিক, ব্যাখা চায় আদালত
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() কারাগারে থেকে কীভাবে গাড়ি পোড়ান সাবেক মেজর সাদিক, ব্যাখা চায় আদালত সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে সাদিকুলের আইনজীবী বলেন, গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলেও বছরখানেক আগের ওই ঘটনার সময় সাদিকুল হক কারাগারে ছিলেন। এরপর আদালত জানতে চায়, কারাগারে থেকে কীভাবে মামলার ঘটনার সঙ্গে আসামি জড়িত। বিষয়টি নিয়ে ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলীকে আগামী ১৬ অগাস্ট ব্যাখ্যা দিতে বলেছে আদালত। সেদিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন। ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর বসুন্ধরা এলাকায় একটি প্রাইভেট কার পোড়ানোর মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাদিকুল হককে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ৭ অগাস্ট আবেদন করেন এসআই চাঁদ আলী। আদালত শুনানির দিন রেখেছিল সোমবার। মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ভাটারা থানার বিটুমিন গেইটের সামনে প্রাইভেট কার রেখে বাসায় গিয়েছিলেন মনির হোসেন নামে একজন। পরে গাড়িটিতে আগুন লাগার খবরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মনির হোসেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১৩ নভেম্বরের ‘কমপ্লিট শাট ডাউন’ কর্মসূচির ব্যাপারে জানতে পারেন। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তখন ছাত্রলীগ, যুবলীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন। সেখানে কারো নাম তুলে না ধরে ২০/২৫ জনকে আসামি করেন। এ মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবেক মেজর সাদিকুলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। সেই আবেদনে বলা হয়, ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করতে ওই ঘটনা ঘটানো হয়। আসামি সাদিক ভাটারা থানার অন্য একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। তদন্তে এ ঘটনায় তার ‘প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে’। সেনাবাহিনী থেকে চাকুরিচ্যুত মেজর সাদিককে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর তিন মাসের কারাদণ্ড দেয় সামরিক আদালত। তখন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ভাটারা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
