|
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোটার তালিকা পেল ইসি
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ভোটার তালিকা পেল ইসি ইসি সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকা আজ পেয়েছে নির্বাচন কমিশন। সংসদ থেকে এ তালিকা পাঠানো হয়েছে। আজ কমিশনে এ ব্যাপারে আলোচনা হবে।” এ বিষয়ে দুপুর ২টায় ব্রিফিং করা হবে বলে ইসির জনসংযোগ দপ্তর জানিয়েছে। গুরুতর অসুস্থতার কথা জানিয়ে গত ২৪ জুলাই বিকালে পদত্যাগ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আর সে পর্যন্ত স্পিকারের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ২২ অক্টোবরের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সে লক্ষ্যে ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে ২৮ জুলাই প্রাথমিক আলোচনা সারেন সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন। এখন ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটার হন সংসদ সদস্যরা। সিইসি থাকেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ‘নির্বাচনি কর্তা’হিসেবে। নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করলে তাতে মনোনয়নপত্র জমা, বাছাই, প্রার্থিতা প্রত্যাহার, ভোটের তারিখ ও স্থান থাকবে; সিইসির কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা, প্রার্থী বাছাইয়ে কাজ হলেও ভোটের স্থান হবে সংসদ কক্ষ। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে একজন সংসদ সদস্যকে প্রস্তাবক এবং আরেকজনকে সমর্থক হতে হবে। প্রার্থীর নিজেরও সম্মতিসূচক স্বাক্ষর থাকতে হবে। সংসদীয় গণতন্ত্র চালুর পর ১৯৯১ সালে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একবারই সংসদের কক্ষে ভোট করতে হয়েছিল। পরে প্রতিবারই ক্ষমতাসীন দল মনোনীত প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নীতি নির্ধারণী বৈঠকও হয়েছে। ইসি এখন সভার আনুষ্ঠানিকতা সেরে তফসিল ঘোষণা করবে এএমএম নাসির উদ্দিন কমিশন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
