|
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি, গাজীপুরে গ্যাসের চাপ কমে বিপাকে শিল্প-পরিবহন ও আবাসিক গ্রাহক
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি, গাজীপুরে গ্যাসের চাপ কমে বিপাকে শিল্প-পরিবহন ও আবাসিক গ্রাহক সরেজমিনে গাজীপুর সদর, শ্রীপুর, কালিয়াকৈর, চন্দ্রা, মাওনা ও কালীগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল এবং সিএনজি ফিলিং স্টেশন ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গাজীপুর অঞ্চলে দৈনিক চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় অনেক এলাকায় নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। ফলে প্রয়োজনীয় গ্যাস না পাওয়ায় বেশ কিছু শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। মাওনা এলাকার একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনে অপেক্ষমাণ অটোরিকশাচালকেরা জানান, গ্যাস নিতে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। এতে ট্রিপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় দৈনিক আয়ও কমে গেছে। একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন গাজীপুর সদর উপজেলার কয়েকটি সিএনজি স্টেশনের কর্মকর্তারাও। তাদের মতে, গত কয়েক দিন ধরে গ্যাসের চাপ কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে স্টেশন পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। শুধু শিল্প ও পরিবহন নয়, সংকটের প্রভাব পড়েছে আবাসিক গ্রাহকদের জীবনেও। দিনের অধিকাংশ সময় চুলায় পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় অনেক পরিবার সময়মতো রান্না করতে পারছে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার শুরু করেছেন। তবে কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, তাদের উৎপাদন এখনো স্বাভাবিক রয়েছে। অর্থাৎ গ্যাস সংকটের প্রভাব সব কারখানায় সমানভাবে পড়েনি। এ বিষয়ে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসির গাজীপুর অঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী কাজী মোহাম্মদ সাইদুল হাসান বলেন, গাজীপুরে গ্যাস সরবরাহ-সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার কাছে এ-সংক্রান্ত কোনো পরিসংখ্যান নেই। সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি দ্রুত সমাধান করে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করা না গেলে শিল্প উৎপাদন, পরিবহন খাত এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
