|
পত্নীতলায় একমাত্র দর্শনীয় স্থান ঐতিহাসিক দিবর দিঘী
মামুনুর রশীদ,পত্নীতলা
|
![]() পত্নীতলায় একমাত্র দর্শনীয় স্থান ঐতিহাসিক দিবর দিঘী প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হিন্দু কৈবর্তরাজ ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সংস্কৃতির অন্যতম ধীবর দিঘী নামে পরিচিত এই জলাশয়ের অন্যতম আকর্ষণ স্তম্ভটি দিঘীর মাঝখানে অবস্থিত ১১ শতাব্দীতে কৈবর্ত দিব্যক রাজার কীর্তি বলি ইতিহাস থেকে জানা যায়। বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রানির সংকট মোকাবেলায় ২০ একর জলাশয় বা দিঘী খনন দিব্য বিজয় সূচক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয় কালের বিবর্তনে ধীবর থেকে দিবর নামকরণ হয়েছে বলে ইতিহাসবিদগণ মত প্রকাশ করেছেন। কেউ কেউ বলেন দিব্যক থেকেই দিবর নামকরণ হয়েছে পাথর কেটে নয় কোনাআকৃতির স্তম্ভটির এক কোন থেকে অন্য কোনের দূরত্ব প্রায় ১ ফিট ত্রিভুজ আকৃতির যে রেখা আছে তা স্তম্ভের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে এই বিজয় স্তম্ভের শীর্ষে নয়নাভিরাম কারুকার্য।পানির উপরিভাগে স্তম্ভের উচ্চতা ১০ ফিট।পানির ভেতরে ১১ ফিট।মাটির নিচে ১২ ফিট।দিব্যক বিজয় স্ভম্ভটি হাজার বছরের বাঙালির ইতিহাস সংস্কৃতি প্রতীক। সরজমিনে গিয়ে জানা যায়,পত্নীতলা থেকে ১৬ কিলোমিটার দূরে এ দিঘী অবস্থিত।স্বচ্ছ জলরাশি সৌন্দর্য ও দিব্যক বিজয় স্তম্ভ স্পর্শ করার জন্য নৌকা ও পিকনিক স্পট বিশ্রামাগার ও ডাকবাংলো নির্মাণ করা হয়েছে।অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে যাতে আরো বেশি ভ্রমণ পিপাসু মানুষেরা ভ্রমণে আসেন এতে করে আরো বেশি সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে বলে অভিমত পোষণ করেন এলাকাবাসী। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
