ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৪ জুলাই ২০২৬ ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
কিশোরগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা
এম এ আজিজ, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: Saturday, 4 July, 2026, 4:01 PM

কিশোরগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা

কিশোরগঞ্জ জেলার প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই চিকিৎসক ও জনবল সংকটের কারণে হুমকির মুখে স্বাস্থ্যসেবা

হাসপাতালের প্রতিটি বেড রোগীতে পূর্ণ। করিডোর অতিরিক্ত ছোট, মেঝেতে বিছানা পেতে চলছে চিকিৎসা। একজন চিকিৎসকের কক্ষে অপেক্ষা করছেন শতাধিক রোগী। অপারেশন থিয়েটার প্রস্তুত, কিন্তু অ্যানেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। কোটি টাকার এক্স-রে মেশিন বসানো, অথচ চালানোর টেকনোলজিস্ট না থাকায় মাসের পর মাস বন্ধ। এটি কোনো একটি হাসপাতালের চিত্র নয়; কিশোরগঞ্জ জেলার অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবতা।

জেলার ১৩টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ৫০০ শয্যার শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়-শয্যা বাড়েনি, কিন্তু রোগী বেড়েছে কয়েকগুণ। চিকিৎসক নিয়োগ হয়েছে সীমিত, আবার কর্মরত অনেক চিকিৎসকই প্রেষণ বা সংযুক্তিতে অন্যত্র দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা এখন বড় ধরনের চাপে।

জানা যায়, জেলার হাসপাতাল গুলোতে মোট ১৩৫০ টি শয্যা রয়েছে। গড়ে প্রতিদিন ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে থাকেন ১ হাজার ৮৫৮ জন রোগী। চিকিৎসকের চাহিদা রয়েছে ৫৯৪ জন। হাসপাতাল গুলোতে নিয়মিত রোগী দেখেন ৩১১ জন চিকিৎসক।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, কিশোরগঞ্জের সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা প্রদানকারী ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে গড়ে ৬৯০ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। ফলে শয্যার তুলনায় রোগীর চাপ অত্যন্ত বেশি। হাসপাতালে চিকিৎসকের মোট পদ ১২৩টি, কর্মরত ৯০ জন। অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট রয়েছে এবং এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা চালু আছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর মোট পদ ৬২৫টি, কর্মরত ৪৭৫ জন। এছাড়া আউটসোর্সিং জনবল ১৬০ জন দায়িত্ব পালন করছেন।

কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালটি জেলার প্রধান সরকারি হাসপাতাল সেখানে ২৫০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন ৩৫০-৪০০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। যা ধারণক্ষমতার তুলনায় অনেক বেশি। হাসপাতালে চিকিৎসকের মোট পদ ৬৮ টি। বর্তমানে কর্মরত ৫৩ জন, এর মধ্যে ৫ জন অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান আছে। নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন ৪৮ জন চিকিৎসক। হাসপাতালে নিয়মিত অপারেশন, অ্যানেস্থেসিয়া, প্যাথলজি, এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম সেবা চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ৩০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত ২৭৬ জন। এছাড়া ৯৩ জন আউটসোর্সিং জনবল কর্মরত রয়েছেন।

হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ৫০ শয্যার এ হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১০০-১১০ জন রোগী ভর্তি থাকেন, যা ধারণক্ষমতার দ্বিগুণেরও বেশি। মোট চিকিৎসকের পদ ৩৯টি। কর্মরত ২৪ জন হলেও এর মধ্যে ৮ জন প্রেষণে অন্যত্র কর্মরত থাকায় হাসপাতালে নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন মাত্র ১৬ জন। নিয়মিত সিজারিয়ান, মাইনর ও মেজর অপারেশন করা হয়। তবে অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্টের পদে কোনো চিকিৎসক নেই। প্যাথলজি চালু রয়েছে। আল্ট্রাসনোগ্রাম নিয়মিত করা হলেও রেডিওগ্রাফার না থাকায় এক্স-রে সেবা বন্ধ রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৬০টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১১৮ জন। আউটসোর্সিং জনবল ১২ জন।

পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। মোট চিকিৎসকের পদ ৩৮টি, কর্মরত ১৬ জন। নিয়মিত থাকেন ১২ জন। ৪ জন সংযুক্তিতে রয়েছেন। মাইনর অপারেশন হয়। গাইনি কনসালট্যান্টের পদ শূন্য থাকায় সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ। অ্যানেস্থেশসিয়া কনসালট্যান্ট কর্মরত। প্যাথলজি চালু থাকলেও প্যাথলজিস্ট নেই। জিন এক্সপার্টের জনবল দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ২৩২টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৮৭ জন। আউটসোর্সিং ১৩ জন।

কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। মোট চিকিৎসকের পদ ৩৭টি, কর্মরত ২১ জন। এর মধ্যে ৩ জন সংযুক্তিতে, ১ জন অননুমোদিতভাবে অনুপস্থিত এবং ২ জন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে। গাইনি ও অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্টের অভাবে কোনো ধরনের অপারেশন করা যাচ্ছে না। প্যাথলজি চালু রয়েছে। এক্স-রে এখনও ইনস্টল হয়নি। আল্ট্রাসনোগ্রামে সফটওয়্যার সমস্যা রয়েছে এবং রেডিওগ্রাফারও নেই। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৭৭টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৩৫ জন। আউটসোর্সিং ১৫ জন।

করিমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০-৫৭ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ৪৫টি পদ থাকলেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন ১৬ জন। শুধুমাত্র মাইনর অপারেশন করা হয়। অ্যানেস্থেসিয়া কনসালট্যান্টের পদ শূন্য। প্যাথলজি চালু রয়েছে, তবে প্যাথলজিস্ট নেই। আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু থাকলেও রেডিওগ্রাফার না থাকায় এক্স-রে বন্ধ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ২২২টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৬৪ জন। আউটসোর্সিং ৪ জন।

তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৪৭-৪৮ জন রোগী ভর্তি থাকেন। মোট চিকিৎসকের পদ ৩৬টি। কর্মরত ১৬ জন, নিয়মিত থাকেন ১২ জন। এ হাসপাতালে শুধুমাত্র মাইনর অপারেশন করা হয়। গাইনি জুনিয়র কনসালট্যান্ট সংযুক্তিতে রয়েছেন এবং সার্জারির জুনিয়র কনসালট্যান্ট দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। প্যাথলজি চালু থাকলেও প্যাথলজিস্ট নেই। স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা করা হচ্ছে। এক্স-রে মেশিন নষ্ট, আল্ট্রাসনোগ্রাম সচল। রেডিওগ্রাফার না থাকায় এক্স-রে চালু করা যাচ্ছে না। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৬০টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১০৭ জন। আউটসোর্সিং ১৩ জন।

নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫৫-৬৫ জন রোগী ভর্তি থাকেন। মোট চিকিৎসকের পদ ২৮টি, কর্মরত ২২ জন। এর মধ্যে ৬ জন সংযুক্তিতে থাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন ৮ জন। মাইনর অপারেশন ও প্লাস্টার করা হলেও জনবল সংকটে সিজারিয়ান অপারেশন বন্ধ রয়েছে। অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট থাকলেও তিনি বর্তমানে নিটোর, ঢাকায় সংযুক্তিতে রয়েছেন। প্যাথলজি চালু রয়েছে। এক্স-রে কক্ষ সংস্কারাধীন থাকায় এক্স-রে সেবা বন্ধ, তবে আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৭৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১২২ জন। আউটসোর্সিং জনবল সংখ্যা ৫ জন।

বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে চিকিৎসকের ১৪টি পদই পূরণ রয়েছে। এ হাসপাতালে সিজারিয়ানসহ সব ধরনের অপারেশন নিয়মিত করা হয়। অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট কর্মরত রয়েছেন। প্যাথলজি, এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম সম্পূর্ণ চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৩৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১১৩ জন। আউটসোর্সিং ৭ জন।

ইটনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৪৬-৪৮ জন রোগী ভর্তি থাকেন। মোট চিকিৎসকের পদ ৩৪টি, কর্মরত ১৩ জন। এ হাসপাতালে শুধুমাত্র মাইনর অপারেশন করা হয়। অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। প্যাথলজি চালু থাকলেও প্যাথলজিস্ট নেই। জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু থাকলেও রেডিওগ্রাফার না থাকায় এক্স-রে বন্ধ। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১৪৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৯২ জন। আউটসোর্সিং ২০ জন।

মিঠামইন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০-৬০ জন, কখনো ৮০-৯০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ৩১টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৩ জন। এ হাসপাতালে সিজারিয়ান, প্লাস্টার ও মাইনর অপারেশন নিয়মিত হয়। অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট কর্মরত রয়েছেন। প্যাথলজি ও এক্স-রে স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় চালু থাকলেও ল্যাব ও রেডিওলজি টেকনোলজিস্টের পদ শূন্য।

অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৫০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ৩৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৪ জন। নিয়মিত থাকেন ১২ জন। এ হাসপাতালে কোনো অপারেশন হয় না। প্যাথলজি চালু রয়েছে। এক্স-রে চালু থাকলেও আল্ট্রাসনোগ্রাম মেশিনের প্রিন্টার ও ইউপিএস নষ্ট। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১০৮টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৬৫ জন। আউটসোর্সিং ১৬ জন।

ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- বর্তমানে ৫০ শয্যা, তবে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিদিন ৬৫-৭০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ৪৩টি পদের বিপরীতে কর্মরত ২৭ জন। ৫ জন প্রেষণে রয়েছেন। এ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়। প্যাথলজি বিভাগ এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু রয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ১০৬টি পদের বিপরীতে কর্মরত ৮০ জন। আউটসোর্সিং ১৫ জন।

কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স- ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন ৭০-৮০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। চিকিৎসকের ২৫টি পদের বিপরীতে কর্মরত ১৭ জন এবং সবাই নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। এ হাসপাতালে নিয়মিত সিজারিয়ানসহ অন্যান্য অপারেশন করা হয়। অ্যানেস্থেশিয়া কনসালট্যান্ট কর্মরত থাকলেও সপ্তাহে দুই দিন শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করেন। প্যাথলজি, এক্স-রে ও আল্ট্রাসনোগ্রাম চালু রয়েছে। রেডিওগ্রাফারের পদ শূন্য থাকলেও স্থানীয় ব্যবস্থাপনায় এক্স-রে সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি মিলিয়ে কর্মরত ১০৫ জন। আউটসোর্সিং ২ জন।

অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ শাহ্ মোঃ মহিবুল্লাহ বলেছেন, হাওরঅধ্যুষিত এই উপজেলায় প্রাথমিক সকল চিকিৎসাসহ মাইনর অপারেশন সেবা দেওয়া হলেও এখানে সিজারিয়ান অপারেশন হয়না। যদিও অপারেশন থিয়েটার সেটআপ আছে। এর কারণ চিকিৎসক সংকট। জরুরি কোন গর্ভবতিকে চিকিৎসা দিতে পারি না। আর এখানে আবাসনের বিশাল সমস্যা থাকায় কোন ডাক্তার এসেও থাকতে চান না।

হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ তানভীর হাসান বলেন, এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো থাকায় জেলার পাকুন্দিয়া, ময়মনসিংহের গফরগাও, নান্দাইল উপজেলার একাংশ রোগী এখানে চলে আসে। আর এ কারণে ৫০ শয্যার হাসপাতালে গড়ে ১০০ উপর রোগী ভর্তি থাকে। এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়ন করা হলে আরও ভালো মানের চিকিৎসা সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

কুলিয়ারচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আদনান আকতার বলেছেন, শুধু ডাক্তার সংকট নয়। হাসপাতালে অন্যান্য জনবল সংকট রয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা মূলত সম্মিলিত টিমের মাধ্যমে দিতে হবে। বিশেষ করে ওয়ার্ডবয়, আয়া ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী সহ ব্যাপক শূণ্যতা রয়েছে। এই শূন্য পদ গুলো পূরণ করা হলে স্বাস্থ্য সেবার সার্বিক উন্নয়ন হবে।

জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ নাজমুল করিম বলেন, ৪৮তম বিসিএস ডাক্তার নিয়োগ হওয়ার পর থেকে  চিকিৎসা সেবা দিতে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করছি। কিছু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও অন্যান্য কিছু শূন্য পদ আছে, সেগুলো পূরনের জন্য মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ রাখছি। আশা করছি দ্রুত পূরণ হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status