|
চরকাজল ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ১২ ইউপি সদস্যের অনাস্থা
জসিম উদ্দিন, পটুয়াখালী
|
![]() চরকাজল ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ১২ ইউপি সদস্যের অনাস্থা গত ২৪ মে ২০২৬ রোজ রবিবার দুপুরে ১২ ইউপি সদস্য স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দপ্তরে এ অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করা হয়। এর পরে আবেদনের অনুলিপি একই দিন শেষ বিকেলে, জেলা প্রশাসক- পটুয়াখালী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক-পটুয়াখালী, গলাচিপা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)-গলাচিপা বরাবরও প্রেরণ করা হয়েছে। অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী সদস্যরা হলেন-মো. মিজানুর রহমান, মো. রিকোজ আহম্মেদ, মো. মনিরুল ইসলাম, মো. আমিনুর রহমান, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. মনির হোসেন, মো. শিহাব হাওলাদার, মো. ভুট্টু বেপারী, মো. দুলাল খান, সংরক্ষিত সদস্য মোসা. নাজমা বেগম, মোসা. শাহনাজ বেগম ও মোসা. তাছলিমা আক্তার। আবেদনে সদস্যরা উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৪৩,৩৮ ও ৩৯ অনুযায়ী চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যৌথভাবে পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা, সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু বর্তমান চেয়ারম্যান দীর্ঘদিন ধরে সদস্যদের মতামত উপেক্ষা করে এককভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়াও স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এর ধারা ৪৩ অনুযায়ী ইউনিয়ন পরিষদের সভা ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের ব্যর্থতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ফলে পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে তার প্রতি আস্থাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে। সদস্যদের অভিযোগ, চেয়ারম্যান নিয়মিতভাবে পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যর্থ হচ্ছেন। এতে পরিষদের নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে তার প্রতি আস্থাহীনত তৈরি হয়েছে। তারা আরও বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ (কার্যাবলি) বিধিমালা অনুযায়ী সদস্যদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না। এতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গৃহীত অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সদস্যরা। এবিষয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, লিখিত আবেদনটি পেয়েছি এবং বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
