ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৯ মে ২০২৬ ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩
৯৭ বছর বয়সী নেতার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 9 May, 2026, 4:05 PM

৯৭ বছর বয়সী নেতার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি

৯৭ বছর বয়সী নেতার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন মোদি

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। রাজ্যটিতে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তার শপথ অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সী এক নেতার পা ছুঁয়ে প্রণাম করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শনিবার (০৯ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কলকাতায় আজ শুভেন্দু অধিকারীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ৯৭ বছর বয়সী এক প্রবীণ ব্যক্তির পায়ে হাত দিয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন মোদি। শুধু তা-ই নয়, তিনি তাকে আলিঙ্গনও করেন। এই প্রবীণ ব্যক্তির নাম মাখন লাল সরকার। তিনি শিলিগুড়ির বাসিন্দা এবং বিজেপির শুরুর দিকের অন্যতম প্রবীণ রাজ্য নেতা হিসেবে পরিচিত।

পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, মাখন লাল সরকার ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সহযোগী। তিনি বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি কাশ্মীরের এক কারাগারে রহস্যজনকভাবে মারা যান। মাখন লাল সরকার তার শেষ সফরের সঙ্গী ছিলেন। আজ তিনি আমাদের মাঝে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে গৌরবান্বিত করেছেন।

শমীক ভট্টাচার্য জানান, কংগ্রেস আমলে দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার কারণে দিল্লি পুলিশ মাখন লাল সরকারকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তাকে আদালতে হাজির করে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন।

তিনি বলেন, মাখন লাল সরকার বিচারককে বলেছিলেন, তিনি কোনো অপরাধ করেননি; তিনি শুধু একটি গান গেয়েছেন। বিচারক তখন গানটি শুনতে চান। এরপর তিনি আদালতেই আবার গানটি গেয়ে শোনান। গান শোনার পর বিচারক পুলিশকে নির্দেশ দেন, যেন তাকে প্রথম শ্রেণির টিকিটে বাড়ি পাঠানো হয় এবং যাত্রার জন্য ১০০ টাকা দেওয়া হয়।

মাখন লাল সরকার ছিলেন শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার প্রথম বিজেপি জেলা সভাপতি। এ ছাড়া কাশ্মীর সফরে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গীও ছিলেন তিনি। ৯৭ বছর বয়সেও তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ের অন্যতম তৃণমূল সংগঠক হিসেবে পরিচিত।

১৯৫২ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় তেরঙ্গা উত্তোলন আন্দোলনের সময় শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সঙ্গে থাকার কারণে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের পর তিনি পশ্চিম দিনাজপুর, জলপাইগুড়ি ও দার্জিলিং জেলার সাংগঠনিক সমন্বয়কের দায়িত্ব পান। মাত্র এক বছরের মধ্যে তিনি প্রায় ১০ হাজার সদস্য সংগ্রহে সহায়তা করেন।

১৯৮১ সাল থেকে টানা সাত বছর জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সে সময় বিজেপির নেতারা সাধারণত দুই বছরের বেশি একই সাংগঠনিক পদে থাকতে পারতেন না। সেই তুলনায় তার এই দীর্ঘ দায়িত্ব পালন ছিল ব্যতিক্রমী সাফল্য।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status