|
প্রেশার বাড়ছে বলে চিন্তা? কাঁচা নুন খাওয়া কমান এই ৪ কৌশলে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() প্রেশার বাড়ছে বলে চিন্তা? কাঁচা নুন খাওয়া কমান এই ৪ কৌশলে খাবারে এক চিমটে নুন কম বা বেশি—দুটোই স্বাদের ভারসাম্য নষ্ট করে দিতে পারে। কিন্তু নুনের গুরুত্ব শুধু স্বাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সরাসরি জড়িয়ে রয়েছে আমাদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে। শরীরের জন্য সোডিয়াম প্রয়োজন হলেও, অতিরিক্ত নুন খাওয়া এখন বিশ্বজুড়ে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন ৫ গ্রামের বেশি নুন খাওয়া উচিত নয়—কিন্তু বাস্তবে অনেকেই অজান্তেই এই সীমা অতিক্রম করছেন। সমস্যা শুধু রান্নায় দেওয়া নুন নয়, বরং “লুকোনো সোডিয়াম”। চিপস, চানাচুর, বিস্কুট, এমনকি পাউরুটি বা সসেও থাকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নুন। তার উপর যদি পাতে আলাদা করে কাঁচা নুন নেওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে ঝুঁকি আরও বাড়ে। দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত নুন খেলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা এমনকি হাড়ের ক্ষয় পর্যন্ত হতে পারে। ![]() প্রেশার বাড়ছে বলে চিন্তা? কাঁচা নুন খাওয়া কমান এই ৪ কৌশলে তবে সুসংবাদ হলো—কিছু সহজ অভ্যাস বদলেই নুনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। প্রথমত, প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন। এই ধরনের খাবার দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য তাতে বেশি পরিমাণ সোডিয়াম ব্যবহার করা হয়। মাখন, চিপস, ভুজিয়া, কেক, বিস্কুট কিংবা ফ্রোজেন খাবার—সবেতেই লুকিয়ে থাকে অতিরিক্ত নুন। নিয়মিত এগুলো খেলে অজান্তেই দৈনিক সীমা ছাড়িয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন সস ও প্রক্রিয়াজাত উপকরণের ব্যবহার কমান। সয়া সস, টম্যাটো সস, চিলি সস, মেয়োনিজ়—এসব খাবারে নুনের পরিমাণ অনেক বেশি। একইভাবে আচার, চাটনি বা কাসুন্দিতেও থাকে উচ্চ মাত্রার সোডিয়াম। তাই রান্নায় বা খাবারের সঙ্গে এই উপাদানগুলো যত কম ব্যবহার করবেন, ততই ভালো। তৃতীয়ত, টেবিলে কাঁচা নুন রাখার অভ্যাস বাদ দিন। অনেকেই রান্না ঠিকঠাক হলেও বাড়তি নুন ছিটিয়ে খান—এটি ধীরে ধীরে নেশার মতো হয়ে যায়। শুরুতে কম নুনে অস্বস্তি লাগলেও, সময়ের সঙ্গে জিভ অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। স্বাদ বাড়াতে নুনের বদলে ব্যবহার করতে পারেন ভাজা জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, গোলমরিচ বা অন্যান্য মশলা। এতে খাবারের স্বাদও বাড়বে, আবার স্বাস্থ্যঝুঁকিও কমবে। চতুর্থত, বাইরের খাবার কম খান। রেস্তোরাঁর খাবারে সাধারণত বেশি নুন ব্যবহার করা হয়, কারণ তা স্বাদকে তীব্র করে তোলে। নিয়মিত বাইরে খেলে শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। তার বদলে বাড়িতে রান্না করা খাবার খান, যেখানে আপনি নিজেই নুনের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। সবশেষে, মনে রাখা দরকার—স্বাদ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনই জরুরি সুস্থ থাকা। নুন পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়, আবার প্রয়োজনও নেই। কিন্তু সচেতনভাবে তার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই বুদ্ধিমানের কাজ। ছোট ছোট পরিবর্তন, যেমন কাঁচা নুন এড়িয়ে চলা বা প্যাকেটজাত খাবার কম খাওয়া—এই অভ্যাসগুলোই দীর্ঘমেয়াদে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
বাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ
বাঘাইছড়িতে দমকা হাওয়ায় গাছ পালা ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক
কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে ভাই-বোনদের বিরোধ: ধান কাটতে বাধা, থানায় অভিযোগ
