|
হরমুজ পার করে দিতে অর্থ চাইছে প্রতারকরা, সাবধান করল নিরাপত্তা কোম্পানি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হরমুজ পার করে দিতে অর্থ চাইছে প্রতারকরা, সাবধান করল নিরাপত্তা কোম্পানি হরমুজ প্রণালির পশ্চিম দিকে আটকা পড়া নৌযানগুলোর কয়েকটির পরিচালক কোম্পানিকে প্রতারকরা ক্রিপ্টোকারেন্সির বিনিময়ে প্রণালিটি নিরাপদে পার করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি সম্বলিত ভুয়া বার্তা পাঠিয়েছে বলে সাবধান করেছে সমুদ্রে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করা গ্রিক কোম্পানি মারিস্ক। যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রেখেছে। এদিকে ইরান একবার হরমুজ প্রণালিতে অবরোধে তুলে নিলেও পরে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ওই জলপথ দিয়ে চলাচল ফের বন্ধ করে দিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারিতে ইরানে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) অন্তত এক-পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়ে গন্তব্যে যেত। যুদ্ধবিরতির আলোচনার মধ্যে তেহরান এই জলপথ ব্যবহারকারী নৌযানের নিরাপদ যাতায়াতে টোল বসানোরও প্রস্তাব দিয়েছিল, বলছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। সোমবার এক সাবধান বার্তায় মারিস্ক নৌযান মালিকদের ‘অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের’ ব্যাপারে সতর্ক করে জানায়, এ দুর্বৃত্তরা নিজেদের ইরানি কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি দাবি করে বেশ কয়েকটি নৌযান কোম্পানির কাছে বিটকয়েন বা টেদারের বিনিময়ে হরমুজ ‘পার করে দেওয়া যাবে’ বলে বার্তা পাঠিয়েছে। “কাগজপত্র জমা এবং ইরানি কর্তৃপক্ষ যোগ্যতা যাচাই করার পর আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে (বিটিসি বা ইউএসডিটি) কত ফি দিতে হবে তা নির্ধারণ করে দেবো। এরপরই কেবল আপনাদের নৌযান নির্ধারিত একটি সময়ে প্রণালিটি অবাধে পার হতে পারবে,” বার্তায় এমনটাই বলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে মারিস্ক। তারা বলছে, “এসব বার্তা আদতে ভুয়া। ইরানি কর্তৃপক্ষ এগুলো পাঠায়নি।”এ প্রসঙ্গে তেহরানের দিক থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এবং হরমুজ প্রণালি তেহরান কার্যত বন্ধ করে রাখায় এখন উপসাগরে কয়েকশ নৌযান ও প্রায় হাজার বিশেক নাবিক আটকা পড়ে আছে। ইরান কিছু সময়ের জন্য প্রণালিটি খোলার ঘোষণা দেওয়ার পর শনিবার বেশ কয়েকটি নৌযান তা পার হওয়ার চেষ্টা চালায়। তার মধ্যে একটি ট্যাংকারসহ অন্তত দু’টি নৌযান পরে জানায়, ইরানি নৌকা থেকে তাদের লক্ষ্য করে গুলি হওয়ায় তারা নৌযান ঘুরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। এই দুটি নৌযানের অন্তত একটি ওই ভুয়া বার্তার প্রতারণার শিকার হয়েছিল বলে ধারণা মারিস্কের। তাদের এই ভাষ্য যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স। কোন কোন কোম্পানি এ ধরনের ভুয়া বার্তা পেয়েছে সংবাদমাধ্যমটি তাও বের করতে পারেনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
