|
নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, চোখে নৃশংস আঘাত
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার, চোখে নৃশংস আঘাত নিহত শিশুটির নাম আয়শা সিদ্দিকা (আশুরা)। সে ওই এলাকার রাজমিস্ত্রি আলমগীর হোসেনের একমাত্র কন্যা সন্তান। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় আয়শা সিদ্দিকা। নিখোঁজ হওয়ার পরপরই পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ব্যাপক খোঁজাখুঁজি শুরু করা হয়। একইসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিশুটির সন্ধান চেয়ে পোস্ট দেওয়া হয় এবং মাইকিং করা হয়। তবে দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পরও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বাড়ির পাশের একটি ফাঁকা স্থানে পড়ে থাকা বাঁশের কঞ্চির ওপর শিশুটির নিথর দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এলাকাবাসীর দাবি, শিশুটির শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং একটি চোখ গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ছিল, যা ঘটনাটিকে রহস্যজনক করে তুলেছে। নিহতের বাবা আলমগীর হোসেন বলেন,“শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে আমার মেয়ে নিখোঁজ হয়। সারাদিন খোঁজাখুঁজি ও মাইকিং করেও তাকে পাইনি। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ির পাশেই তার মরদেহ পাওয়া যায়। আমার একমাত্র সন্তানের মৃত্যুর সঠিক রহস্য উদঘাটন এবং দোষীদের শাস্তি চাই।” চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর হোসেন জানান,“শুক্রবার সকাল থেকে নিখোঁজ থাকা দুই বছর বয়সী শিশুটির মরদেহ রাত ১০টার দিকে উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহে কিছু আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।” ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
