|
রাষ্ট্রপ্রতির ভাষণ নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ,পাল্টাপাল্টি মামলা গ্রেফতার-১
মো: সবুজ ইসলাম,রাণীশংকৈল
|
![]() রাষ্ট্রপ্রতির ভাষণ নিয়ে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষ,পাল্টাপাল্টি মামলা গ্রেফতার-১ পরদিন শনিবার বিএনপি নেতা আরিফুল ইসলাম ৭ জনের নাম উল্লেখ্য করে একটি মামলা করে। এপ্রেক্ষিতে জামায়াত নেতা রবিউল ইসলাম বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করে। থানা পুলিশ হাসপাতালে শয্যাশায়ী অবস্থায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা আক্তারুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখিয়েছে । স্থানীয়রা জানায়, স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে আলোচনা করছিলেন। এ সময় তারা জামায়াতের সংসদ সদস্যদের কক্ষ ত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছিলেন। অপরদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেকমরদ ইউনিয়ন ওয়ার্ড সভাপতি আক্তার হোসেন সেখানে উপস্থিত হয়ে প্রতিবাদ জানায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে আক্তার হোসেন তার সমর্থকদের খবর দেন। পরে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষে আহত চারজন হলেন বিএনপি নেতা আরিফুল, ফারুক, রুবেল এবং জামায়াত নেতা আক্তার হোসেন।। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। ঘটনার পরপরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ প্রসঙ্গে বিএনপি সম্পাদক আল্লামা ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ বলেন, জামায়াতের লোকজন বিএনপি নেতা কর্মিকে বেধরক মারপিট করে মাথায় কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। যার প্রেক্ষিতে মাথায় ১০টি সেলাই দেওয়া হয়েছে । বিষয়টি আমরা দলীয় ভাবে পর্যপেক্ষন করছি। এ প্রসঙ্গে জেলা জামায়াতে ইসলামীর প্রেস সেক্রেটারী শাহাজালাল জুয়েল বলেন, আমাদের লোককে তারা মাথা ফাটিয়ে দিল ১০টি সেলাই হলো তারপরেও যদি পুলিশ আমার লোককে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় গ্রেফতার দেখায়,বিষয়টি অমানবিক। এ বিষয়ে রাণীশংকৈল থানার ওসি আমানুল্লাহ আল বারী বলেন, উভয়পক্ষই থানায় মামলা করেছে। একজনকে আমরা ( স্নোন এরেস্ট) গ্রেফতার দেখিয়েছি। চিকিৎসা সম্পন্ন হলে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
