ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
বসন্তের ছোঁয়ায় খাগড়াছড়ি জুড়ে আমের মুকুল, সম্ভাবনার আলো দেখছেন কৃষক
মোঃ মোবারক হোসেন, খাগড়াছড়ি
প্রকাশ: Saturday, 28 February, 2026, 11:03 AM

বসন্তের ছোঁয়ায় খাগড়াছড়ি জুড়ে আমের মুকুল, সম্ভাবনার আলো দেখছেন কৃষক

বসন্তের ছোঁয়ায় খাগড়াছড়ি জুড়ে আমের মুকুল, সম্ভাবনার আলো দেখছেন কৃষক

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি জুড়ে এখন আম্রপালি মুকুলের সুবাস। বসন্তের শুরুতেই জেলার পাহাড়ি জনপদে গাছে গাছে ফুটেছে সবুজাভ-হলুদ মুকুল। হালকা দক্ষিণা বাতাসে ভেসে আসা মিষ্টি ঘ্রাণ জানিয়ে দিচ্ছে—মধুমাসের আর বেশি দেরি নেই। অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলনের আশা করছেন স্থানীয় চাষিরা।

জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রাম থেকে পৌর শহর—সবখানেই আমগাছে মুকুলের সমারোহ। বিশেষ করে দীঘিনালা, গুইমারা, রামগড়, মহালছড়ি ও পানছড়ি উপজেলায় আম্রপালিসহ বিভিন্ন জাতের আমগাছে প্রচুর মুকুল এসেছে। বনাঞ্চলঘেরা বিস্তীর্ণ বাগান ও বাড়ির আঙিনায় মৌমাছির গুঞ্জন আর পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠেছে প্রকৃতি স্থানীয় চাষিরা জানান, চলতি মৌসুমে তাপমাত্রা অনুকূলে থাকায় এবং টানা কয়েকদিন রোদেলা আবহাওয়া বিরাজ করায় গাছে ভালো মুকুল এসেছে। ঝড়, শিলাবৃষ্টি বা অতিরিক্ত কুয়াশা না হলে ফলন আশানুরূপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।  

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এ সময় নিয়মিত বাগান পরিচর্যা, পোকার আক্রমণ প্রতিরোধ এবং প্রয়োজনীয় ছত্রাকনাশক প্রয়োগ জরুরি। কালবৈশাখী ঝড়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

জেলা কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষের পরিমাণ প্রতিবছর বাড়ছে। স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এখানকার আম সরবরাহ করা হয়। ভালো ফলন হলে কৃষকের আয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি জেলার সার্বিক অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন বলেন, “পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়ি মাটি ও জলবায়ু আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বসন্তের শুরুতেই যে পরিমাণ মুকুল এসেছে, তা আশাব্যঞ্জক। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।”

প্রকৃতির এই রূপ শুধু ফলনের সম্ভাবনাই নয়, গ্রামীণ জীবনে নিয়ে এসেছে উৎসবের আমেজ। কয়েক মাস পরই জেলার বাজারগুলো সোনালি আমে ভরে উঠবে—এমন প্রত্যাশায় এখন অপেক্ষা কৃষক ও ব্যবসায়ীদের।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status