|
নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে অপহরণের পর হত্যা নিহত কিশোরী মহিষাশুড়া ইউনিয়নের একটি এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করত। তার বাবা একটি টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়ভাবে বখাটে হিসেবে পরিচিত নূরা নামের এক তরুণের সঙ্গে ওই কিশোরীর কথাবার্তা হতো। প্রায় ১৫ দিন আগে বাসায় ফেরার পথে নূরার নেতৃত্বে পাঁচ-ছয়জন তরুণ তাকে মুখ চেপে তুলে নিয়ে যায় এবং ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় বিচার চেয়ে পরিবারটি মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আহমদুল্লাহর শরণাপন্ন হয়। তবে বিচার না পেয়ে বরং এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরামর্শ পান বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনরা। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক ইউপি সদস্যের কাছে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। বুধবার রাত ৮টার দিকে মেয়েকে খালার বাড়িতে পৌঁছে দিতে যাওয়ার সময় বিলপাড় এলাকায় পৌঁছালে নূরার নেতৃত্বে ছয়জন তরুণ তাকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান মেলেনি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি একটি শর্ষেখেতে কিশোরীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। মাধবদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। নিহতের বড় ভাই অভিযোগ করে বলেন, মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে এলাকা ছাড়তে বলা হয়েছিল তাদের। নির্ধারিত সময়ের আগেই মেয়েটিকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন। ঘটনার পর অভিযুক্ত নূরাসহ সংশ্লিষ্টরা পলাতক রয়েছেন। সাবেক ইউপি সদস্য আহমদুল্লাহকেও এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে থানায় না এসে স্থানীয়ভাবে বিচার চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতেই এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
