ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ১ জুলাই ২০২৬ ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
ইমেজ ভাঙার লড়াই আর নতুন পরিচয়
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 10 February, 2026, 12:06 PM

ইমেজ ভাঙার লড়াই আর নতুন পরিচয়

ইমেজ ভাঙার লড়াই আর নতুন পরিচয়

১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হাম সাথ সাথ হ্যায়’-এ বেবি রাধিকা চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন জোয়া আফরোজ। ‘মন’ ও ‘কুছ না কহো’র মতো জনপ্রিয় ছবিতেও পরে শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন। ‘তস্করি: দ্য স্মাগলারস’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এই অভিনেত্রী। নীরজ পাণ্ডে পরিচালিত নেটফ্লিক্সের ওয়েব সিরিজে নিজের অভিনয়, দীর্ঘ পথচলা ও সহ-অভিনেতা ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে সম্প্রতি মিড ডের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

অভিনয়জীবনের শুরুটা স্মরণ করে জোয়া বলেন, খুব অল্প বয়সেই ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। তখন সবকিছু ছিল আলাদা। শিশুশিল্পী থেকে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী হয়ে ওঠার পথটা সহজ ছিল না—এ কথাও স্বীকার করলেন জোয়া। তাঁর ভাষায়, শিশুশিল্পী হিসেবে মানুষের তৈরি করা একটি নির্দিষ্ট ইমেজ ভাঙা বড় হওয়ার পর সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অভিনয়কে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিও বদলেছে। এখন তিনি অনেক বেশি সচেতনভাবে কাজ বেছে নেন। ‘তস্করি: দ্য স্মাগলারস’-এ নিজের চরিত্র ‘প্রিয়া’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জোয়া জানান, এই সিরিজ তাঁকে অভিনেত্রী হিসেবে নতুনভাবে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ দিয়েছে। তাঁর মতে, প্রিয়া শুধু গল্প এগিয়ে নেওয়া কোনো চরিত্র নয়; তার নিজস্ব একটি যাত্রা আছে। সেই জার্নিই তাঁকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছে।

দর্শকদের সাড়া নিয়ে জোয়া বলেন, ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পেয়ে তিনি ভীষণ স্বস্তি ও আনন্দ অনুভব করছেন। দর্শক শুধু গল্পের টুইস্ট নয়, চরিত্রগুলো নিয়েও আলোচনা করছে—এটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে অভিনয়ের প্রশংসা করে বার্তা পাঠাচ্ছেন। প্রতিটি বার্তার উত্তর যতটা সম্ভব আন্তরিকভাবে দেওয়ার চেষ্টা করেন জোয়া।

এই সিরিজে ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও তাঁর কণ্ঠে ছিল শুধুই প্রশংসা। জোয়ার ভাষায়, ইমরান অত্যন্ত ভদ্র ও মার্জিত মানুষ। সেটে তাঁর শান্ত স্বভাব আর আত্মবিশ্বাস সবাইকে স্বচ্ছন্দ করে তোলে। সহশিল্পীদের প্রতি তাঁর পেশাদার আচরণ নতুন ও তুলনামূলক কম অভিজ্ঞ অভিনেতাদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক।
শুটিংয়ের পরিবেশ নিয়েও সন্তুষ্টির কথা জানান জোয়া। তাঁর মতে, সেটে ছিল ইতিবাচক ও আত্মবিশ্বাসী আবহ। সবাই জানতেন, তাঁরা কী করছেন। এমন পরিবেশে কাজ করলে অভিনয় আরও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বেরিয়ে আসে।

সিরিজের দ্বিতীয় সিজন প্রসঙ্গে জোয়া বলেন, বিষয়টি পুরোপুরি নির্মাতাদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তবে গল্প যদি স্বাভাবিকভাবে এগোয় এবং প্রিয়ার চরিত্র অর্থবহ থাকে, তাহলে তিনি নিশ্চয়ই আবার ফিরতে আগ্রহী। সেই প্রস্তুতিও তাঁর আছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে জোয়া জানান, এখন তাঁর কাছে গল্প আর চরিত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। চরিত্রটি তাঁকে কতটা চ্যালেঞ্জ করছে, সেটাই তিনি দেখতে চান। মাধ্যম বড় না ছোট, সেটা মুখ্য নয়; ভালো কাজই তাঁর কাছে আসল।

শিশুশিল্পী হিসেবে শুরু করে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা তাঁকে ধৈর্য আর আত্মবিশ্বাস শিখিয়েছে বলেও মনে করেন জোয়া। তাঁর ভাষ্যে, আজ তিনি যেখানে দাঁড়িয়ে আছেন, তার পেছনে এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাটানো প্রতিটি অভিজ্ঞতারই বড় ভূমিকা রয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status