ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩
২৪ ঘণ্টা বন্দর চালুসহ ডেমারেজ মওকুফের দাবি জানিয়ে বিজিএমইএ’র চিঠি
বিধান বিশ্বাস, চট্টগ্রাম
প্রকাশ: Saturday, 7 February, 2026, 11:57 AM

২৪ ঘণ্টা বন্দর চালুসহ ডেমারেজ মওকুফের দাবি জানিয়ে বিজিএমইএ’র চিঠি

২৪ ঘণ্টা বন্দর চালুসহ ডেমারেজ মওকুফের দাবি জানিয়ে বিজিএমইএ’র চিঠি

চট্টগ্রাম বন্দরে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি টানা ছয় দিন কর্মবিরতির ফলে সৃষ্টি হয়েছে ভয়াবহ পণ্যজট। এই সমস্যা নিরসনে কাস্টমস ও বন্দরের সব কার্যক্রম ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা ও ডেমারেজ চার্জ বা কনটেইনার অবস্থানকালীন বাড়তি মাসুল মওকুফের দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই দাবি জানান বিজিএমইএ’র সহসভাপতি সেলিম রহমান।

বিজিএমইএ জানায়, নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার ইস্যুকে কেন্দ্র করে শ্রমিক-কর্মচারী সংগঠনগুলোর আন্দোলন ও কর্মবিরতির কারণে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্দরের স্বাভাবিক আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

এর ফলে বন্দরে অস্বাভাবিক পণ্যজট তৈরি হয়েছে, যা পোশাকশিল্পের সরবরাহ চেইনকে সংকটে ফেলেছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তৈরি পোশাক শিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। নির্দিষ্ট ‘লিড টাইম’-এর মধ্যে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়। নির্ধারিত সময়ে পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে রপ্তানিকারকরা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি ভবিষ্যতে অর্ডার হারানোর ঝুঁকিতে পড়েন।

কর্মবিরতির কারণে অনেক কারখানার উৎপাদন ও চালান কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিজিএমইএ’র দাবিগুলো হলো- জমে থাকা পণ্য দ্রুত খালাসের জন্য কাস্টমস ও বন্দরের সংশ্লিষ্ট সব শাখা ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখা, ৩০ জানুয়ারির পর থেকে ডেলিভারি নেওয়া আমদানিপণ্যের ক্ষেত্রে কোনো ডেমারেজ চার্জ বা বিলম্ব মাসুল আদায় না করা এবং বন্দরে আটকে থাকা কাঁচামাল দ্রুত খালাসে বিশেষ অগ্রাধিকার প্রদান।

চিঠিতে সেলিম রহমান বলেন, পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ার পেছনে আমদানিকারকদের কোনো গাফিলতি ছিল না। শ্রমিক-কর্মচারীদের আন্দোলনের কারণেই এই অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে।

তাই ব্যবসায়ীদের ওপর এই আর্থিক ক্ষতির দায় চাপানো যৌক্তিক নয়। রপ্তানি সক্ষমতা ধরে রাখতে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের আস্থা বজায় রাখতে অতিদ্রুত এই দাবিগুলো বাস্তবায়নে এনবিআর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ চায়।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status