|
চট্টগ্রাম বন্দরে ভয়াবহ অচলাবস্থা, বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরির আশঙ্কা
বিধান বিশ্বাস, চট্টগ্রাম
|
![]() চট্টগ্রাম বন্দরে ভয়াবহ অচলাবস্থা, বাজারে সরবরাহ সংকট তৈরির আশঙ্কা বন্দর সূত্র জানায়, শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতির কারণে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানো সম্ভব হচ্ছে না। নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি), চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) ও জেনারেল কার্গো বার্থে থাকা অধিকাংশ জাহাজই সময়মতো খালাস করতে পারছে না। বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল আলম জুয়েল বলেন, পণ্য নিয়ে এক দিন অপেক্ষা করলে একটি বড় জাহাজকে অন্তত ২০ হাজার ডলার বাড়তি গুনতে হয়। এখন বন্দরে আসা জাহাজকে দিনের পর দিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে। রমজানের আগে এমন অপেক্ষার ক্ষতি হবে বহুমুখী। জানা গেছে, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার ও রবিবার প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিকরা। শুরুতে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের ব্যানারে কর্মসূচি দেওয়া হলেও পরে তা ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’র ব্যানারে পরিচালিত হচ্ছে বলে জানানো হয়। সোমবারও সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হয়। এর পর মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতির মধ্যে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচির ঘোষণা আসে। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, সরকার যতক্ষণ ইজারা প্রক্রিয়া থেকে ফিরে আসবে না ততক্ষণ এ কর্মসূচি চলবে। তার দাবি, কর্মবিরতির কারণে মঙ্গলবারও বন্দরের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়নি। এদিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। বন্দর এলাকায় মিছিল-সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং ধর্মঘটের ফলে সৃষ্ট ক্ষতির হিসাব নিরূপণে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী কয়েকজন কর্মচারীকে বদলিও করা হয়েছে। সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার আমীরুল ইসলাম বলেন, বন্দর এলাকার নিরাপত্তার জন্য আমরা সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা সব সময় সজাগ রয়েছি। আশা করি এখানে কোন বিশৃঙ্খলা ঘটবে না। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
