|
শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশন
মোঃ মোবারক হোসেন, খাগড়াছড়ি
|
![]() শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশন মানবিক ও সমাজসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি সংগঠনটি অসুস্থ ও ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা, অসচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ নানা মানবিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে আসছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, একতা ফাউন্ডেশনের সহায়তায় অনেক অসুস্থ মানুষ নতুন করে সুস্থ জীবন ফিরে পেয়েছেন। বর্তমানে দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকায় সংগঠনটির মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। দীঘিনালায় কয়েকদিন ধরে বিরাজ করছে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা। প্রচণ্ড শীতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এমন পরিস্থিতিতে ৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দিনব্যাপী পর্যায়ক্রমে দীঘিনালার বিভিন্ন এলাকায় শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশন। প্রথমে সংগঠনটির নিজ এলাকা বেতছড়িতে হতদরিদ্র অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। পরে মধ্য বোয়ালখালী মানবিক যুবসমাজের সহযোগিতায় মধ্য বোয়ালখালী গ্রামের শীতার্ত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে কবাখালী উত্তর মিলনপুর এলাকা এবং সর্বশেষ মেরুং ইউনিয়নের চংগাছড়ি এলাকায় কম্বল বিতরণ করা হয়। কম্বল পেয়ে শীতার্ত মানুষজন আনন্দ ও সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, প্রচণ্ড শীতে এই কম্বল তাদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি এনে দেবে। মানবিক এই উদ্যোগে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। কম্বল বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা. মোঃ আল আমিন, কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন, সদস্য আবদুল হালিম, আলামিন, ইব্রাহিম, হৃদয় ও সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এ সময় ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডা. মোঃ আল আমিন বলেন, “বেতছড়ি একতা ফাউন্ডেশন একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আমরা প্রতিবছরই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করি। এবারও শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেছি। ভবিষ্যতেও আমাদের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।” কোষাধ্যক্ষ জাকির হোসেন বলেন, “অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন, যেন ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যেতে পারি।” |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
