|
ডিআইজি আপেল মাহমুদের নেতৃত্বে অভিযানে আটক ১৯
রোমানা আক্তার, কক্সবাজার
|
![]() ডিআইজি আপেল মাহমুদের নেতৃত্বে অভিযানে আটক ১৯ বুধবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে কক্সবাজার হোটেল-মোটেল জোনের বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কক্সবাজারের কিছু আবাসিক কটেজ এবং স্পা সেন্টারকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র সক্রিয় রয়েছে। চক্রটি বিভিন্ন কৌশলে পর্যটকদের জিম্মি করে ছিনতাই, ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায় এবং আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলিং করতো। ফলে প্রতিনিয়ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন অসংখ্য পর্যটক। ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, আবাসিক কটেজ এলাকার অনেকগুলো কটেজে স্পা’র নামে দীর্ঘদিন ধরে পর্যটকদের জিম্মি করে ছিনতাই, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নানা হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। কটেজের ভেতর কয়েকটি গোপন কক্ষ রয়েছে, যেখানে পর্যটকদের আটকে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের ভয় দেখিয়ে আদায় করা হতো মোটা অঙ্কের টাকা। টাকা না দিলে চালানো হতো শারীরিক নির্যাতন। বিশেষ করে বিভিন্ন পত্রিকায় এবিষয়ে নিউজ ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশ হচ্ছে। তিনি আরও জানান, হোটেল-মোটেল জোনে কিছু স্পা সেন্টারের অনুমোদন থাকলেও অধিকাংশই লাইসেন্স ছাড়াই পরিচালিত হচ্ছে। কয়েকটি স্পা সেন্টারের মালিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া এবং মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অপরাধ তদন্ত এবং পর্যটন এলাকার ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। আজকে অভিযানে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। পযটকদের হয়রানি কোনভাবেই বরদাশত করা হবেনা। পর্যটন নিরাপত্তায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, কক্সবাজার শহরে অনুমোদনহীন স্পা সেন্টারের সংখ্যা ৩৬টি। এছাড়া লাইট হাউস এলাকার দুই শতাধিক আবাসিক কটেজে শুধু পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা চলছে। এসব নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠানের কারণে পর্যটন শিল্প মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
