|
কক্সবাজারে জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর প্রাঙ্গণ
রোমানা আক্তার
|
![]() কক্সবাজারে জমে উঠেছে বাণিজ্য মেলা, দর্শনার্থীদের ভিড়ে মুখর প্রাঙ্গণ মেলায় দর্শকের উপস্থিতি বেশ ভালো। এতে শিশুদের বিনোদনের সুব্যবস্থা থাকায় উচ্ছ্বসিত শিশুরা। মেলায় বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করেছে শিশুদের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। কক্সবাজারের পর্যটন গলফ মাঠে গত ৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই শিল্প ও বাণিজ্য মেলা। গতকাল রবিবার (২৩ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, পর্যটন গলফ মাঠ শিশুসহ সব বয়সী দর্শকের ভিড়। নান্দনিক আলোকসজ্জা। হালকা সুরের গান। খাবারের ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে চারদিক। মেলা প্রাঙ্গনে দেখা যায়- নাগরদোলা, ট্রেন, দোলনা, জলরাইডার, জাদুর মঞ্চ ও ভূতের বাড়ি। এগুলো শিশুদের ভীষণ টানছে। মেলায় ছুটির দিন বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার দর্শকের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন রাইডের সামনে অভিভাবকরা শিশুদের হাত ধরে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষায় রয়েছেন। জাদু প্রদর্শনীর সামনে দাঁড়ানো পর্যটক হামজা উদ্দিন বলেন, সাগর ঘুরে এসে বাচ্চাদের নিয়ে এখানে এসেছি। মেলায় বাচ্চাদের জন্য অনেক রকম বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এগুলোর দরকার ছিল। মেলা পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সানাউল্লাহ আবু বলেন, ইতোমধ্যে শতাধিক স্টল চালু হয়েছে। শিশুদের বিনোদনকে আমরা বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। মেলা শুধু ঘোরাঘুরি নয়। স্থানীয় ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পণ্য প্রচারেরও বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, কক্সবাজার চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজার যৌথভাবে এই মেলার আয়োজন করেছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত মেলা চলবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পরে সময় বাড়ানোও হতে পারে। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত দর্শনার্থীরা মেলায় ঢুকতে পারবেন। আন্তর্জাতিক সংস্থায় কর্মরত কর্মী বোরহান উদ্দিন বলেন, স্ত্রী-সন্তানরা ঘুরতে চেয়েছে। এখানে সৈকত ছাড়া আলাদা তেমন কোথায় যাওয়ার সুযোগ নেই। পরিবার নিয়ে মেলায় এসে ভালো লাগছে। সুন্দর আয়োজন। বোরহান উদ্দিন আরও বলেন, পর্যটননির্ভর শহর কক্সবাজারে শিশুদের জন্য স্থায়ী বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তোলা উচিত। বছরজুড়েই প্রচর পর্যটক এখানে আসেন। পরিবার-ছেলেমেয়ে নিয়ে আসেন তারা। এ কারণেই শিশুদের স্থায়ী বিনোদনের ব্যবস্থা জরুরি। মেলায় আসা দর্শকদের মতে, পরিবার-পরিজন নিয়ে বিনোদনের জন্য শিল্প ও বাণিজ্য মেলা অন্যতম প্রধান ঠিকানা। শিশুদের হাসি-আনন্দ, স্টলের ভিড়, বৈচিত্রপূর্ণ খাবার আর উৎসবের আমেজে পুরো মেলা রঙিন হয়ে উঠেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
