|
ড্যাফোডিল–সিটি ইউনিভার্সিটি উত্তেজনা: পরিকল্পিত সহিংসতার অভিযোগ ড্যাফোডিলের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ড্যাফোডিল–সিটি ইউনিভার্সিটি উত্তেজনা: পরিকল্পিত সহিংসতার অভিযোগ ড্যাফোডিলের সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য প্রফেসর ড. এম আর কবির বলেন, সিটি ইউনিভার্সিটির প্রশাসন মিথ্যাচার করছে। সাম্প্রতিক আক্রমণাত্মক ঘটনার ভিডিও সাক্ষ্য, মিডিয়া সাক্ষাৎকার এবং বিভিন্ন প্রমাণ বিশ্লেষণে দেখা গেছে তাঁদের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টস বিভাগ থেকে দেড় কোটি টাকা চুরির অভিযোগসহ লুটপাটের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে তা ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, শুধু গাড়ি পোড়ানো আর ভাঙচুর নয় আমাদের শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে, এরও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সিটি ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে। বর্তমানে ৬ শিক্ষার্থী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে ইউজিসি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। উপাচার্য বলেন, সিটি ইউনিভার্সিটি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীরা জড়িত কিনা তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিবেদন দেবে। গত রোববার রাতে সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের খাগান এলাকায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থুথু ফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। পরে মধ্যরাতে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। এতে দুইপক্ষের বহু শিক্ষার্থী আহত হন। উপাচার্য বলেন, আমরা চাই দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হোক এবং শিক্ষাঙ্গনের শান্তি পুনঃস্থাপন করা হোক। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ভিডিও বিবৃতি আদায় করা হয় যা আইনবিরুদ্ধ। আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবা ও নিরাপত্তায় বাধা দেওয়া হয়েছে। এমনকি আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও কারণও পরিবারকে জানানো হয়নি। ড্যাফোডিলের অভিযোগ ঘটনার উদ্দেশ্য ছিল আর্থিক ও স্বার্থান্বেষী এজেন্ডা বাস্তবায়ন। তারা দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থার দাবি জানায়। উপাচার্য অভিযোগ করেন, আমরা যখন শিক্ষার্থীদের অবস্থান ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় উদ্বেগে ছিলাম, তখন সিটি ইউনিভার্সিটি পরিকল্পিতভাবে মিডিয়া ট্রায়াল চালিয়েছে মূল অপরাধ আড়াল করতে এবং সহানুভূতি আদায়ের জন্য। তিনি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও গণমাধ্যমকে মিডিয়া ম্যানিপুলেশন এবং ‘জিম্মি-পরিস্থিতির’ যৌথ তদন্তের আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনের শেষে উপাচার্য বলেন, সত্য উদঘাটনে আমরা সব ধরনের প্রমাণাদি ভিডিও, সাক্ষ্য ও চিকিৎসা নথি সরবরাহ করতে প্রস্তুত। অপরাধীরা যে প্রতিষ্ঠানেরই হোক, আইনের আওতায় আনতে হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
দেশ বদলায়, মানুষ বদলায়,তবুও বদলায় না ৮০-তে পা রাখা ছাহেরা বেগমের দুঃখভাগ্য
শফিকুল ইসলাম বেবুকে সদস্য সচিব করে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রিড়া সংস্থার ৭ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠিত
শেরপুরে গণমাধ্যম সপ্তাহে ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে র্যালি ও আলোচনা সভা
ফুলবাড়ীতে উন্নত ভুট্টা বীজে বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি
