|
টেকনাফ গহিন পাহাড়ে ফের যৌথ অভিযান; নারী-শিশুসহ ২১ উদ্ধার
রফিক মাহমুদ, উখিয়া
|
![]() টেকনাফ গহিন পাহাড়ে ফের যৌথ অভিযান; নারী-শিশুসহ ২১ উদ্ধার বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকালে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়—সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকজন নারী-শিশু ও যুবককে বাহারছড়ার করাচিপাড়া ঘাট সংলগ্ন একটি আস্তানায় আটকে রাখা হয়। এর ভিত্তিতে বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর একটি যৌথ দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করে। এসময় গোপন আস্তানা থেকে ২১ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অভিযানের সময় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে পাচারকারীদের শনাক্ত ও আটকের লক্ষ্যে নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক বলেন, “মানব পাচার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।” এর আগে ১ অক্টোবর টেকনাফ পাহাড় থেকে একইভাবে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে বন্দি করে রাখা ৮ নারী ও শিশুকে উদ্ধার করা হয়। ২৩ সেপ্টেম্বর বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়ার পাহাড়ি এলাকা থেকে বিশেষ অভিযানে ৫ যুবককে উদ্ধার করা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর একই এলাকায় কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ৬৬ জনকে উদ্ধার করা হয়, যাদের মধ্যে ৪৪ জন নারী-শিশু। উদ্ধারকৃতদের বেশিরভাগই রোহিঙ্গা নাগরিক, বাকিরা বাংলাদেশি। এছাড়া গত ১৪ সেপ্টেম্বর র্যাব ও বিজিবির যৌথ অভিযানে নারী-শিশুসহ ৮৩ জনকে উদ্ধার করা হয়। সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য সীমান্তবর্তী টেকনাফের পাহাড়ি এলাকা পাচারকারীরা গোপন আস্তানা হিসেবে ব্যবহার করছে। নিয়মিত অভিযানে বহু নারী-শিশু ও যুবককে উদ্ধার করা হলেও পাচারকারীরা নতুন কৌশলে সক্রিয় রয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
