ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ১৮ জুন ২০২৬ ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
তাড়াশে বাঘমারা বিলে পদ্মফুলের অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
প্রকাশ: Thursday, 25 September, 2025, 2:40 PM

তাড়াশে বাঘমারা বিলে পদ্মফুলের অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা

তাড়াশে বাঘমারা বিলে পদ্মফুলের অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে ভিড় করছে দর্শনার্থীরা

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বাঘমারাবিলসহ কয়েকটি মাঠে ফুটেছে জলজ ফুলের রানী পদ্মফুল। ভাদ্রের মাঝামাঝি সময়ে কলি থেকে ফুল ফোটা শুরু হয়ে এখন তা চলমান রয়েছে। শীতের আগমনী পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জলজ উদ্ভিদ গবেষকরা।

তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের শাকুয়াদিঘী বাঘমারা বিল, সদর ইউনিয়নের সোলাপাড়া, মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের দোবিলা ও ঘরগ্রামের মাঠে ফুটেছে পদ্মফুল। আর পদ্মবিলের প্রতিদিন পদ্মফুল দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন।

তাড়াশ উপজেলার পংরৌহালী গ্রামের রুবেল আহমেদ জানান, আমার জমিসহ পাশের অন্যও জমিগুলোতে হাজার হাজার গাছ ও পদ্মফুল ফুটছে। দেখতে যেন এক অপরুপ দৃশ্য।

তিনি আরও বলেন, পদ্মফুলের সৌন্দর্যে অনেক লোকজন আসে দেখতে। আবার কেউ কেউ কোমর পানি ডিঙিয়ে ফুল তুলে নিয়ে যায়।

তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের শাকুয়াদিঘী গ্রামের জিল্লুর রহমান, আবু তালহা জানান, বাঘমারা বিলে চারদিকে পদ্মফুলের অভ্যয়রন্য। দেখত যে কত সুন্দরতা বলে বোঝানো যাবে না। আমাদের এই বিলে পদ্মফুল দেখতে প্রতিদিন মানুষজন আসেন। পুরো বিল জুড়ে পদ্মফুল ফোটায় মনোরম দৃশ্যও অবতরণ হয়েছে।

জানা যায়, এককালে চলনবিলে হরেক রকম জলজ উদ্ভিদ পাওয়া যেতো। বিলের বিভিন্ন প্রান্তরে ফুটে থাকতো শাপলা ও পদ্ম। পদ্ম ফোটার সেই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য মানুষকে আবেগ তাড়িত করতো। বিলের মানুষ পদ্মপাতায় ভাত খেতো। হাট থেকে লবণ, জিলেপি ও গুড় পদ্ম পাতায় মুড়িয়ে নিয়ে আসতো। বিলের জলাধার দিনের পর দিন কমতে থাকায় ধীরে ধীরে তা হারিয়ে যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে পদ্মফুল জন্মে। এগুলোকে বৈশিষ্ট্য অনুসারে দুটি প্রজাতিতে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে একটি হচ্ছে এশিয়ান বা ইন্ডিয়ান পদ্ম, অন্যটি হচ্ছে আমেরিকান বা ইয়োলো লোটাস।

এশিয়ান পদ্ম আবার দুই রঙে দেখা যায়, একটি মসৃণ সাদা অপরটি হালকা গোলাপি।

তাড়াশ ডিগ্রি কলেজে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক চন্দ্র নারায়ন ভৌমিক জানান, চলনবিলে পদ্ম একটি বহুবর্ষজীবি জলজ উদ্ভিদ। পদ্মফুলের একটি পরিপক্ষ বীজ এক হাজার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। অনুকূল পরিবেশ পেলে সে আবারও বংশ বিস্তার করে থাকে। চলনবিলে ফোটা পদ্মের ক্ষেত্রেও সেটিই হয়েছে। চলনবিলের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন নামে ১ হাজার ৭৫৭ হেক্টর আয়তনের ৩৯টি বিল। এসব বিলে পদ্ম, শাপলা, মাখনা, সিঙ্গট,গেচু, চেচুয়া, ভাতসোলা সহ বহু প্রজাতির সপুষ্পক,ফার্ন, মস ও শৈবাল পাওয়া যেতো। এরমধ্যে অনেকগুলোই বিপন্ন এবং বেশ কিছু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status