ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 11 September, 2025, 4:55 PM

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি এবং নিজেদের তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ। মূলত বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটানোর অংশ হিসেবে ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি বেড়েছে। এছাড়া গ্যাস সরবরাহে সীমাবদ্ধতা এবং কয়লাচালিত 
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি বাড়িয়েছে বাংলাদেশ

বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে এই পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিল্প কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা।  বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশে ভারতের বিদ্যুৎ আমদানি ৭০ শতাংশ বেড়েছে। এই বিদ্যুতের বেশিরভাগই এসেছে আদানি পাওয়ারের একটি কয়লা-চালিত কেন্দ্র থেকে।

বাংলাদেশ আগে বিদ্যুতের জন্য গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল ছিল। ২০২০ সাল পর্যন্ত চাহিদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ প্রাকৃতিক গ্যাস থেকেই আসত। কিন্তু গ্যাসের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জ এবং খরচ কমানোর জন্য বাংলাদেশ এখন বিদ্যুৎ আমদানি এবং স্থানীয় কয়লা-ভিত্তিক উৎপাদন বাড়াচ্ছে।

সামিট পাওয়ারের পরিচালক আদিবা আজিজ খান বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেছেন, এটি ব্যয়-সাশ্রয়ের বিষয়। গ্যাস সার শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয়। অন্যদিকে তেলসহ অন্যান্য উৎস থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

এপেক সম্মেলনের ফাঁকে তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থায়ও সমস্যা আছে। ভবিষ্যতে গ্যাস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন আর নাও দেখা যেতে পারে।

বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) এক কর্মকর্তা নাম গোপন রেখে বলেছেন, গ্যাসের চাপ কম থাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় চলছে না। অন্যদিকে, রক্ষণাবেক্ষণের কারণে কয়লা-চালিত বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমে গেছে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সরকারের হাতে খুব বেশি বিকল্প ছিল না। লোডশেডিং এড়াতে সরকার আমদানি শুরু করে এবং চাহিদা মেটাতে আদানির বিদ্যুৎ পর্যাপ্ত পরিমাণে মিলছিল।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম সাত মাসে বিদ্যুৎ আমদানি ৯ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। একই সময়ে, জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ হয়েছে।

ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের বাংলাদেশভিত্তিক বিশ্লেষক শফিকুল আলম বলেন, মার্চ মাস থেকে যখন বিদ্যুতের চাহিদা বাড়তে শুরু করে, তখন সরকারকে আমদানি এবং তেল-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হয়েছে।

এদিকে বিশ্লেষণ সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে বাংলাদেশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি ২৪ শতাংশ বাড়িয়েছে। তবে এই সময় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ১ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। যার অর্থ আমদানিকৃত গ্যাস বিদ্যুৎ উৎপাদনে খুব বেশি কাজে লাগানো হয়নি।

সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status