|
শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত!
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে গোপালগঞ্জে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত! এসময় জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান জানান, এ বছর গোপালগঞ্জ জেলায় মোট ১হাজার ২৮৫টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫৩টি, মুকসুদপুরে ২৯৮টি, কাশিয়ানীতে ২২৪টি, কোটালীপাড়ায় ৩২১টি এবং টুঙ্গিপাড়ায় ৯০টি মন্দির রয়েছে। এসব পুজো নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য প্রশাসন পর্যাপ্ত প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। বিশেষ করে, ১ হাজার ৭৭টি ঝুঁকিপূর্ণ মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। এছাড়া, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হবে। তিনি আরও জানান, পূজা মণ্ডপগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো, প্রতিমা তৈরির নিরাপত্তা, বিসর্জনের স্থান ও সময়ের নিরাপত্তা, সড়কের নিরাপত্তা, মাদকের ব্যবহার সীমিতকরণ, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব প্রতিরোধ এবং নারীদের শ্লীলতাহানি প্রতিরোধের বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হবে। এছাড়া, পূজা মণ্ডপে অতিরিক্ত বা অপরিচিতদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং স্থানীয় মন্ডপের সদস্যদের নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হবে।সভায় পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফারিহা তানজিন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সালমা পারভিন, গোপালগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর জুভেন ওয়াহিদ, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম রকিবুল হাসান, কেন্দ্রীয় কালিবাড়ি কমিটির সভাপতি রমেন্দ্রনাথ সরকার বক্তব্য রাখেন। এসময় এনএসআই, র্যাব, আনসার, পিডিবি, ওজিপাডিকো, পাঁচ উপজেলার নির্বাহী অফিসারগণ, সাংবাদিক, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং বিভিন্ন পূজা মণ্ডপের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসক আরো জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যেক উপজেলার পূজা কমিটির সদস্যদের নিয়ে আরও একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর ষষ্ঠী পূজোর মাধ্যমে দুর্গাপূজা শুরু হবে এবং ২ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
