|
গণসংহতি আন্দোলনের মনোনয়ন প্রত্যাশায় আলোচনায় আলফাত
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() গণসংহতি আন্দোলনের মনোনয়ন প্রত্যাশায় আলোচনায় আলফাত “নিজের খাই, আলফাত ভাই!”দোকানের টংঘর, ইউনিয়ন অফিসের আড্ডা, মসজিদের বারান্দা, হাট-বাজারের বেঞ্চ—সবখানে একই কথা। দলীয় রাজনীতির জটিল সমীকরণের ভেতরেও সাধারণ মানুষের ভাষা স্পষ্ট—তারা চায় মোঃ আলফাত হোসেনকে। জনতার কাছে 'আলফাত হোসেন’ তৃণমূল নেতাকর্মীদের চোখে মোঃ আলফাত হোসেন শুধু নেতা নন, বরং একজন বন্ধু। শ্যামনগরের এক ছাত্রনেতা বললেন: “আলফাত ভাইয়ের কাছে যেতে অনুমতি লাগে না, ফোন করতে পরিচয় লাগে না। উনি আমাদের সাথে থাকেন, আন্দোলনে সামনে থাকেন। তাই ওনার নাম বললেই সাধারণ মানুষ হাসে—কারণ তাঁকে তারা নিজের লোক ভাবে। এক ব্যবসায়ী জানালেন: “আমরা দেখি কারা গরিবের পাশে দাঁড়ায়, কারা পাঁচ বছরে কোটি টাকার বাড়ি বানায়। আলফাত ভাইয়ের জীবন সাদামাটা, বিলাসিতা নেই—তাই আমরা বিশ্বাস করি। আন্দোলনের ময়দানেই তাঁর পরিচয় একের পর এক মিথ্যা মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার, পরিবারকে বিসর্জন দিয়ে রাজপথে উপস্থিতি—এসবের মধ্য দিয়েই আলফাত হোসেন মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। উন্নয়ন বনাম ক্ষমতার খেলা এলাকার মানুষ মনে করে, তিনি কোনো ক্ষমতায় না থেকে ও যেসব কাজ করেছেন সেগুলো ছিল চোখে পড়ার মতো—গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, স্কুল-কলেজ ভবন নির্মাণে সহযোগিতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সহযোগিতা। তবে তাঁকে নিয়ে এখনো প্রশ্ন থেকে যায়—দল কি উন্নয়ন ও ত্যাগকে গুরুত্ব দেবে, নাকি পদবাজি ও টাকা খেলা আবার জিতে যাবে? প্রবাসীদের অদ্ভুত উৎসাহ আলফাতকে নিয়ে শুধু স্থানীয় নয়, প্রবাসী সাতক্ষীরা বাসীদের মধ্যেও তীব্র সাড়া। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও আমেরিকার প্রবাসীরা নিজের পকেটের টাকায় প্রচারণা চালাচ্ছেন। পোস্টার, ব্যানার, গিফট আইটেম, এমনকি প্রচারণার গাড়ির ভাড়াও বহন করছেন তারা।সৌদি প্রবাসী এক সমর্থক জানালেন: আলফাত ভাই আমাদের আশা। তিনি শুধু গণসংহতি আন্দোলনের নয়, জনগণের সম্পদ। তাই তাঁর জন্য নিজের খরচ করতে গর্ববোধ করি।” তৃণমূলের দাবি: ০১। “তরুণ রাজনৈতিক নেতা আলফাত ভাই ছাড়া বিকল্প নেই” ০২। রাজনীতি নয়—ত্যাগ ও সততার প্রতীক আলফাত ০৩। পদ কেনাবেচার বাইরে একজন আপোষহীন তরুণ নেতা আলফাত ০৪। সাতক্ষীরায় গণসংহতি আন্দোলনকে জাগ্রত করতে তৃণমূলের কণ্ঠ শোনা জরুরি দলের ভেতরের টানাপোড়েন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন—সাতক্ষীরা-০৪ আসন এখন দলীয় নেতৃত্বের জন্য একটি পরীক্ষার ক্ষেত্র। দল যদি পদবাজি, টাকা আর সিন্ডিকেটকে প্রাধান্য দেয়—তাহলে তৃণমূলের মন ভাঙবে। কিন্তু যদি ত্যাগ, সততা ও সাহসকে মূল্যায়ন করা হয়—তাহলে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। জনতার শেষ কথা “আমরা নেতা চাই, দালাল না। আমরা আলফাত ভাই চাই, পদবাজ না।” আলফাত এখন তৃণমূলের ভাষায় একজন নেতা নন, বরং মানুষের প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে নেই দুর্নীতি, নেই সিন্ডিকেটের অভিযোগ। বরং রয়েছে ত্যাগ, সততা আর রাজপথের সংগ্রামের ইতিহাস। এখন প্রশ্ন—দল কি এই জনতার কণ্ঠ শুনবে? |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
