|
ফেসবুকে পরিচয়, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে তরুণী
|
![]() ফেসবুকে পরিচয়, বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে তরুণী বুলবুল হোসেন সজিব ওই গ্রামের লতিফ আলীর ছেলে। ওই তরুণী উল্লাপাড়া উপজেলার মানিকদিয়ার গ্রামে বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকালে ওই তরুণী প্রেমিক বুলবুল হোসেন সজিবের বাড়িতে গেলে প্রেমিকের মা, তাকে বিভিন্ন হুমকি দেন। পরবর্তীতে স্থানীয় সাংবাদিকরা সেখানে গেলে বুলবুল হোসেন সজিবের বাবা-মা ঘরে তালা দিয়ে বাড়ি থেকে চলে যান। ওই তরুণী জানান, তিন মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় তাদের। এরপর থেকেই একে অপরের সঙ্গে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর মধ্যে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেন প্রেমিক বুলবুল হোসেন সজিব। ওই তরুণী বলেন, তিন মাস আগে আমাদের ফেসবুকে পরিচয় হয় এবং আমাকে বিয়ের কথা বলে বিভিন্ন যায়গায় নিয়ে গিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করেছে বুলবুল হোসেন সজিব । এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে বিয়ে না করার জন্য বিভিন্ন হুমকি দেওয়া হয়। গত ১০ দিন ধরে আমার সঙ্গে বুলবুল হোসেন সজিব যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। বুলবুল হোসেন সজিব যদি আমাকে বিয়ে না করে, তাহলে আমি আত্মহত্যা করব। বুলবুল হোসেন সজিবের বাবা বলেন, এই মেয়ের আগে একটা বিয়ে হয়েছিল। এ যুগের ছেলে-মেয়েরা প্রেম করতেই পারে। আমাদের ছেলে কেন এই মেয়েকে বিয়ে করবে। এই মেয়ে একজন প্রতারক। এদিকে বুলবুল হোসেন সজিবের মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরিবারের দাবি- বুলবুল হোসেন সজিব কোথায় গিয়েছে তারা কিছু জানেনা। বুলবুল হোসেন সজিবের মা বলেন, আমার ছেলের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তার আগে একটা বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের বিষয়টি সে গোপন রেখে আমার ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করেছে। যখন আমার ছেলে বিষয়টি জানতে পারে, তখন বিয়েতে না করেছে। বিয়ের বিষয়ে ওই তরুণী বলেন, সম্পর্ক হওয়ার আগে আমি তাকে বলেছি, আমার আগে একটা বিয়ে হয়েছে। সব কিছু মেনে নিয়ে সে আমার সঙ্গে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে প্রেম করেছে। আমাকে বলেছে- তার কোনো বোন নেই। তাই তার মা আমাকে মেয়ের মতো করে রাখবে। তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, এ নিয়ে এখনো থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
