|
বিএনপির ত্যাগী ও আপোষহীন নেতা রেজাউল হক রিয়াজ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বিএনপির ত্যাগী ও আপোষহীন নেতা রেজাউল হক রিয়াজ ২০০৫ সালে পিরোজপুর জেলা বিএনপির কার্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন রিয়াজ। তিনি দলের দুঃসময়ে, স্বৈরাচারী সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে নিয়মিত রাজপথে ছিলেন চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে। এসময় তিনি বহুবার পুলিশ ও আওয়ামী লীগপন্থী সন্ত্রাসীদের হাতে নির্যাতনের শিকার হন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রিয়াজ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে জনপ্রিয় এক কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত। রাজনীতিতে ইতিবাচক ইমেজ তৈরির পাশাপাশি দলের দুর্দিনে মাঠে ছিলেন দৃঢ়ভাবে। এছাড়াও রেজাউল হক রিয়াজ বিভিন্ন মানবিক ও সামাজিক কাজ করে যাচ্ছে। দলমত নির্বিশেষে যেকোনো দু:সময়ে তাকে পাশে পাওয়া যায়। মহামারি করোনা সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে তিনি তার সাধ্যমতো অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, "গত ১৬ বছরে একাধিকবার মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি। ১/১১ সময়কালে ১ বছর জেল খেটেছি, তখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে একই সেলে ছিলাম।" ![]() বিএনপির ত্যাগী ও আপোষহীন নেতা রেজাউল হক রিয়াজ তিনি আরও জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শুকনো খাবার, পানি ও ওষুধ সরবরাহ করেন এবং আহতদের হাসপাতালে পৌঁছে দেন। রেজাউল হক রিয়াজ বলেন, "পিরোজপুরের সন্ত্রাসী খলিফা পরিবার গত ১৬ বছরে আমার ওপর একাধিক মিথ্যা মামলা করেছে। এমনকি আমার মায়ের ও বোনের জানাজায় অংশ নিতে দেয়নি।" নিজেকে একজন আপোষহীন রাজনৈতিক কর্মী উল্লেখ করে রিয়াজ বলেন, "আমি আওয়ামী লীগ কিংবা খলিফা পরিবারের কারো সঙ্গে কোনো দিন আপোষ করিনি। আমি পিরোজপুরকে সন্ত্রাস ও দুঃশাসনমুক্ত করে বিএনপিকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এছাড়াও তারুণ্যের অহংকার ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বিএনপি ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন " |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
