|
ওয়ানডের শোধ টি-টোয়েন্টিতে নিল বাংলাদেশ, ধবলধোলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ওয়ানডের শোধ টি-টোয়েন্টিতে নিল বাংলাদেশ, ধবলধোলাই ওয়েস্ট ইন্ডিজ শেষ ম্যাচে ক্যারিবীয়দের ১৯০ রানের বিশাল টার্গেট ছুড়ে ক্যারিবীয়দের গুঁটিয়ে দিয়েছে ১০৯ রানে। বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছে ৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে। তাতে ম্যাচের সঙ্গে হোয়াইটওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ব্যাট হাতে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক জাকের আলী। সেন্ট ভিনসেন্টে আগের দুই ম্যাচে দেখা গিয়েছিল স্লো উইকেট। খুব একটা রান আসেনি সেই দুই ম্যাচে। তবে তৃতীয় ম্যাচে এসে দেখা গেছে ব্যতিক্রম। ম্যাচের শুরু থেকেই বল সহজে ব্যাটে আসছিল। যা বুঝতে পেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামা বাংলাদেশও দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করেছে। সৌম্য সরকারের জায়গায় একাদশে সুযোগ পাওয়া পারভেজ হোসেন ইমন ছিলেন বেশ আগ্রাসী। লিটন দাস ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরলেও দলকে চাপে পড়তে দেননি তিনি। তবে বেশিক্ষণ উইকেটে টিকে থাকতে পারেননি ইমন। ফেরার আগে ২১ বলে ৩৯ রান দিয়ে গেছেন স্কোরবোর্ডে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। মাঝে মেহেদী হাসান মিরাজ ২৩ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরলে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন জাকের আলী। তবে পথে শামীম হোসেনের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউটের শিকার হয়ে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। পরে দেখা যায় তিনি নন; বরং শামীম রান আউট। টিভি আম্পায়ারের কল্যাণে ফের মাঠে ফিরেন জাকের। আর ফিরেই নতুন পাওয়া জীবনটাকে কাজে লাগান এই ব্যাটার। ব্যাট হাতে রীতিমতো কচুকাটা করেছেন স্বাগতিক ব্যাটারদের। ৪১ বলে ৬ ছক্কা ও ৩ চারে তার খেলা ৭২ রানের ইনিংসের সুবাদে বাংলাদেশর সংগ্রহ দাঁড়ায় ৭ উইকেটে ১৮৯ রান। স্কোরবোর্ডে এমন পুঁজির পর বল হাতেও শুরুতেই সাফল্য পায় বাংলাদেশ। দলীয় ৭ রানের মাথায় ক্যারিবীয়দের দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরায় বাংলাদেশ। তবে এরপর বিপদজনক হয়ে উঠা শুরু করেন নিকোলাস পুরান ও জনসন চার্লস। তবে তাদের খুব বেশি সময় উইকেটে টিকতে দেননি শেখ মাহেদী। পুরানকে ১৫ রানে ফেরানোর পর রিশাদের দুর্দান্ত এক থ্রুতে রানআউট হন বিপদজনক হয়ে উঠা চার্লস। খানিক পর পাওয়েলকে ফেরান রিশাদ। ৬০ রানে ৬ উইকেট নেই ক্যারিবীয়দের। এরপর রোমারিও শেফার্ড ও গুদাকেশ মতি কিছুটা লড়াইয়ের আভাস দিলেও তাদের সুবিধা করতে দেননি রিশাদ। ৩৫ রানের এই জুটি ভাঙার পর ১০৯ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রিশাদের শিকার ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট নিয়েছেন তাসকিন ও শেখ মাহেদী।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
