ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২২ জুলাই ২০২৪ ৬ শ্রাবণ ১৪৩১
আন্দোলনকারীরা এখন কী চান?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 11 July, 2024, 2:43 PM

আন্দোলনকারীরা এখন কী চান?

আন্দোলনকারীরা এখন কী চান?

আদালতের স্থিতাবস্থার ফলে সরকারি চাকরিতে কোটা না থাকলেও নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা সংস্কার চায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্রসমাজ। তারা বলছেন, আদালতের মাধ্যমে কোটা বাতিলের সরকারি পরিপত্র বৈধ হয়ে কোটা বাতিল হলেও পরবর্তীতে সংক্ষুব্ধ কোনো পক্ষ আইনের দ্বারস্থ হলে আবারো নতুন সমস্যার উদ্ভব হবে। ফলে সংসদে আইন করে কোটা পদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের সমাধান চাইছেন তারা।

কোটা পুনঃবহালের আদেশে আদালত চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা দিলেও তাতে সন্তুষ্ট না হয়ে মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনে থাকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্রসমাজ।

আদালতের নির্দেশ আন্দোলনরতদের পক্ষে গেলেও তারা নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ চাইছেন। বলছেন, কমিশন গঠন করে কোটার হার কমিয়ে যৌক্তিক পর্যায়ে এনে এ বিষয়ে জাতীয় সংসদে আইন পাস করতে হবে।

আদালতের নির্দেশের পরও কেন কমিশন গঠন ও সংসদে আইনের মাধ্যমে সমাধান চাইছেন- এমন প্রশ্নে আন্দোলনকারীরা বলছেন, ভবিষ্যতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের কেউ কিংবা প্রতিবন্ধী কেউ রিট করলে তখন পরিপত্র কিংবা আদালতের আদেশ বাতিল হতে পারে। তাই আদালতের আদেশে চূড়ান্ত সমাধান দেখছেন না তারা।

আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী বলেন, ‌‘২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্রে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধীসহ যারা সমাজের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী হিসেবে সংবিধানে স্বীকৃত তাদেরকে রাখা হয়নি। তারা যদি আবার তাদের অধিকার চেয়ে আদালতে রিট করে তাহলে তো এই পরিপত্র আবার বাতিল হয়ে যাবে। আমরা কি বার বার রাস্তায় নামবো? ছাত্রদের বার বার আদালতে নিয়ে যাওয়ার যে প্রক্রিয়া সেটা থেকে আমরা বের হতে চাচ্ছি। সেজন্যই আমরা বলছি, সংসদে আইন করার মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান হোক।’

এছাড়া কোটার যৌক্তিক সংস্কারের জন্য যে গবেষণা বা যাচাই-বাছাই প্রয়োজন তা নির্বাহী বিভাগকেই কমিশনের মাধ্যমে করতে হবে বলে দাবি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। তারা মনে করছেন, কমিশনের সুপারিশের আলোকে আইন পাস করাই কোটা সংস্কারের একমাত্র পথ।

আন্দোলনকারী আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমদের দাবি হচ্ছে, এই সমস্যার সমাধান সংসদ থেকে আসুক। সংসদ একটি আইন পাশ করবে, একটি নীতিমালা গ্রহণ করবে- সেটা যেভাবেই করুক, কমিশন গঠন করে করুক বা সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে করুক।’

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধ ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘সর্ষের ভেতরেই ভুতটা থেকে গেছে! ফলে চূড়ান্ত ফয়সালা করতে হলে সেটা নির্বাহী বিভাগকেই করতে হবে। কোর্ট কিন্তু কখনো বলবে না যে, এই জনগোষ্ঠীকে এত শতাংশ কোটা দেয়া হোক বা ওই জনগোষ্ঠীকে এত শতাংশ দেয়া হোক। এটা কোর্টের এখতিয়ার না, সম্পূর্ণভাবে নির্বাহী বিভাগের এখতিয়ার।’

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও প্রতিবন্ধীসহ অনগ্রসরদের জন্য সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের দাবি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের।


� পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ �







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: [email protected]
কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status