|
বাঁচার আকুতি শিশু আলিফার
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() বাঁচার আকুতি শিশু আলিফার শিশু মোসা. আলিফা ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের চরপাতা এলাকার মো. জামালের মেয়ে। ওই শিশুর মামা মো. সোহেল মাহমুদ জানান, পাঁচ মাস আগে হঠাৎ প্রচন্ড জ্বরে আক্রান্ত হয় আলিফা। এরপর তাকে লালমোহনের বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নেয়া হয়। তবুও কিছুতেই আলিফা সুস্থ হচ্ছিল না। অবশেষে ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। পরামর্শ অনুযায়ী আলিফাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ডাক্তার দেখাই। সেখানে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আলিফার ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। এরপর চিকিৎসার জন্য তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন আলিফা। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেখানে তার কেমোথ্যারাপীসহ অন্যান্য চিকিৎসা চলছে। তিনি আরো জানান, আলিফার বাবা আর্থিকভাবে তেমন সচ্ছল না। তিনি চট্টগ্রামে বালুর জাহাজে মাসিক পনের হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন। তবে এরই মধ্যে গত পাঁচ মাসে আলিফার চিকিৎসায় বাড়ির বাগানের গাছ বিক্রির টাকা এবং আত্মীয়-স্বজনদের দেওয়া সহযোগিতায় প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মতো ব্যয় হয়ে গেছে। এখন আর কোনোভাবেই টাকা জোগাড়ের সাধ্য নেই তার। তবে চিকিৎসক বলেছেন, আলিফার পুরো চিকিৎসায় অন্তত ১২ লাখ টাকার মতো খরচ হবে। এখন সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা না পেলে অকালেই ঝরে যাবে আলিফার জীবন। তাই সকলের কাছে অনুরোধ করছি আলিফাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসার জন্য। তার চিকিৎসায় সহযোগিতা করতে চাইলে ০১৩০০৭৬৪৯৫৯ এই নম্বরে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইল। ক্যান্সার আক্রান্ত ওই শিশুর মা মোসা. নাজমা বেগম বলেন, আলিফাসহ আমার তিন সন্তান। আলিফা সবার ছোট। ওর বাবার আর্থিক অবস্থা তত ভালো না। আলিফার ক্যান্সার আক্রান্তের খবর শুনে আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে। ডাক্তার জানিয়েছেন, আলিফার চিকিৎসায় দরকার হবে অন্তত ১২ লাখ টাকা। ক্যান্সার শনাক্তের পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এখনো ৭-৮ লাখ টাকার মতো দরকার। কোথায় থেকে এতো টাকা জোগাড় করব, তাই ভেবে উঠতে পারছি না। আমরা গরিব, তাই হয়তো এতো টাকা জোগাড়ও করতে পারব না। তবে আমি আমার এই ফুটফুটে ছোট্ট মেয়েটাকেও হারাতে চাই না। তাই অনুরোধ করছি; মানবিক দিক থেকে হলেও যেন আমার মেয়ে আলিফার চিকিৎসায় সকলে এগিয়ে আসেন। লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ বলেন, দূরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য সরকারিভাবে অনুদানের ব্যবস্থা রয়েছে। ওই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের চেষ্টা করব। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
