ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ২৩ জুন ২০২৬ ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
উজানের ঢল: তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Tuesday, 23 June, 2026, 3:25 PM

উজানের ঢল: তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢল: তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে, নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা

উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইতোমধ্যে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

নদীর পানি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের জানমাল রক্ষায় সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছে স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে মঙ্গলবার (২৩ জুন)  সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ এবং সকাল ৯টায় পানি ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পানি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খোলা রয়েছে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও উজান থেকে নেমে আসা ঢল অব্যাহত থাকলে তিস্তার পানি যেকোনো সময় বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এর আগে সোমবার রাত ৯টায় নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা (৫২ দশমিক ১৫) থেকে ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। গত শনিবার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল।

এদিকে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের ফসলি জমিগুলো আবার পানিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। সোমবার রাত থেকে হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ডিমলা উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের মানুষজন ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়র ঝাড়সিংহেশ্বর চর এলাকার বাসিন্দা আব্দুল কাদের বলেন, সোমবার সন্ধ্যার পর তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। ফলে ওইদিন রাতেই বন্যার পানি নিম্নাঞ্চলে অনেক এলাকায় প্রবেশ করেছে। বড় ধরনের বন্যা আসলে দ্রুত নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

একই এলাকার বাসিন্দা আনারুল ইসলাম বলেন, গত তিনদিন ধরে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি-হ্রাস পাচ্ছে। এতে চরবেষ্টিত ফসলি জমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা সতর্কীকরণ ও পূর্বাভাস কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নুরুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল ৯টায় তিস্তার পানির উচ্চতা ছিল ৫১ দশমিক ৭৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ৩৭ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। একই দিন বেলা ১২টায় তা আরও কমে ৫১ দশমিক ৭৬ মিটার হয়; যা বিকাল ৩টা পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকে।

তবে পরবর্তী তিন ঘণ্টায় পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সন্ধ্যা ৬টায় ৫১ দশমিক ৯৮ মিটার (বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচে) পৌঁছায়। এরপর আরও তিন ঘণ্টায় ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে রাত ৯টায় ৫২ দশমিক ০৫ মিটার (বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচে) প্রবাহিত হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status