|
যশোরে জমজ সন্তানকে ডোবার পানিতে ফেলে হত্যা করলেন মা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() যশোরে জমজ সন্তানকে ডোবার পানিতে ফেলে হত্যা করলেন মা যশোরের কেশবপুরে জমজ সন্তানকে ডোবার পানিতে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে সুলতানা ইয়াসমিন নামে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ছবি প্রতীকী জুয়েল মৃধা আটক সুলতানা ইয়াসমিন কেশবপুর পৌরশহরের সাহাপাড়া এলাকার তার বাবা আব্দুল লতিফের মেয়ে। তার স্বামীর নাম আবু বক্কর সিদ্দিক। কেশবপুর থানার ওসি জহিরুল আলম জানান, ২০২১ সালের ২৪ এপ্রিল সুলতানা ইয়াসমিনের সঙ্গে আবু বক্করের বিবাহ হয়। দুইজনের বিয়ের পূর্বে তাদের উভয়ের পৃথক বিবাহ ছিল। সুলতানা ইয়াসমিন তার বাবা আব্দুল লতিফের বাড়িতে স্বামীকে নিয়ে বসবাস করেন। সুলতানার প্রথম পক্ষের অহনা ইয়াসমিন (১১) নামে একটি মেয়ে রয়েছে। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগেই থাকতো। গত ১০ নভেম্বর রাতে কেশবপুর শহরের মাতৃমঙ্গল ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে সুলতানা ইয়াসমিনের জমজ সন্তান হয়। এর মধ্যে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে। পারিবারিক কলহের কারণে সুলতানা ইয়াসমিন গত ২১ নভেম্বর (মঙ্গলবার) রাত দেড়টার দিকে প্রথমে আরাফ নামে ছেলে সন্তানকে বাড়ির সামনের একটি ডোবার পানিতে নিক্ষেপ করেন। পরে ঘরে ফিরে তাসনীম নামে মেয়ে সন্তানকেও ওই রাতেই একই ডোবায় ফেলে দিয়ে আসেন। এরপর ঘরে ফিরে বাচ্চাদের পাওয়া যাচ্ছে না বলে মিথ্যা কাহিনী তৈরি করে। পরিবারের সদস্যরা এসময় পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ওই ডোবা থেকে জমজ বাচ্চা দুটিকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেন। বুধবার সকালে সুলতানা ইয়াসমিনসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সুলতানা ইয়াসমিন তার জমজ বাচ্চা দুটিকে ডোবার পানিতে নিক্ষেপের কথা স্বীকার করেন। এ ব্যাপারে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বেলাল হোসাইন বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে সুলতানা ইয়াসমিন তার স্বামীর সঙ্গে পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে। তিনি নিজ সন্তানদের ডোবার পানিতে নিক্ষেপ করে হত্যা করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এ বিষয়ে কেশবপুর থানায় মামলা হয়েছে।’
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
