|
কুড়িগ্রামে বৃদ্ধা ছবিরন বেওয়া হত্যাকান্ডে জড়িত ঘাতক গ্রেফতার
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রামে বৃদ্ধা ছবিরন বেওয়া হত্যাকান্ডে জড়িত ঘাতক গ্রেফতার কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের মিডিয়া সূত্র গতকাল মঙ্গলবার জানায়,গত ২৫ অক্টোবর সকাল ৬ টার দিকে কুড়িগ্রাম সদর থানাধীন চরকুমরেরবস গ্রামের ছবিরন বেওয়া (৮০) কে তার শয়ন ঘরে গলা কেটে হত্যা অবস্থায় দেখে পরিবারের লোকজন কুড়িগ্রাম সদর থানায় খবর দিলে থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বৃদ্ধা ছবিরনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করে। পরে উক্ত বিষয়ে মামলার বাদী মোঃ সৈয়দ আলী মুন্সি (৫৫) কুড়িগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জনাব এ কে এম ওহিদুন্নবী এর নের্তৃত্বে কুড়িগ্রাম সদর থানার একটি চৌকস টিম এই ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম অব্যহত রাখে এবং বিভিন্ন ভাবে ছায়া তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার মুল রহস্য উন্মোচন করতে সক্ষম হয়। সূত্র এও জানায়, বৃদ্ধা ছবিরন বেওয়া অসহায় ও হতদরিদ্র। গরু ছাগল বিক্রির ৪৫ হাজার টাকাই ছিলো তার জীবনের শেষ সম্বল। তিনি কখনোই এই টাকা হাত ছাড়া করতেন না। নিজ কমরে গুজে রাখতেন। অবশেষে ওই টাকাই তার জীবনের কাল হয়ে দাঁড়ায়। হত্যা কান্ডের পূর্ব রাতে প্রতিবেশী নাতী মাইদুল ও আসামীরা ঘরের পিছন দিকের টিনের বেড়ার নিচের মাটি কেটে সিধ দিয়ে ঘরে প্রবেশ করে এবং ছবিরন বেওয়ার কোমরে রাখা ৪৫ হাজার টাকা কেড়ে নেয়।এসময় ছবিরন রেওয়ার ঘুম ভেঙে গেলে আসামীদের চিনতে পারলে ঘরে থাকা ধারালো বটি দিয়ে ছবিরন বেওয়ার গলা কাটে এবং বালিশ চাপা দিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামীরা পালিয়ে যায়।পুলিশ ঘাতক মাইদুলকে গ্রেফতারের পর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করে। আসামী মাইদুল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে উপরোক্ত ঘটনার বর্ণনা করে।মাইদুলকে গ্রেফতারের পর তার দেয়া তথ্য মতে হত্যার কাজে ব্যবহৃত ধারালো বটি উদ্ধার করে পুলিশ।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
