|
হিরো আলমের উপর হামলা নিয়ে আগের অবস্থানেই যুক্তরাষ্ট্র
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হিরো আলমের উপর হামলা নিয়ে আগের অবস্থানেই যুক্তরাষ্ট্র ওই ঘটনায় যৌথ বিবৃতিদাতা ১২ দূতাবাস ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশন প্রধানকে বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানোর পর বুধবার এই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। এক বিবৃতিতে দূতাবাসের মুখপাত্র ব্রায়ান শিলার বলেছেন, “এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেই।” বাংলাদেশের পরবর্তী সংসদ নির্বাচনের আগে যখন পশ্চিমা কূটনীতিকদের তৎপরতা দেখা যাচ্ছিল, তার মধ্যেই গত ১৭ জুলাই রাজধানীর ওই উপনির্বাচনে আক্রান্ত হন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম। তার অভিযোগ, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীর সমর্থকরা এই হামলা চালিয়েছিল। এরপর যুক্তরাষ্ট্রসহ ১৩টি দূতাবাস ও ইইউ মিশন প্রধান এক যৌথ বিবৃতিতে হিরো আলমের উপর হামলার নিন্দা জানান। তার প্রতিক্রিয়ায় বুধবার ওই ১৩ জন মিশন প্রধানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ডেকে নেয়। সরকারের অসন্তোষের কথা তাদের জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তাদের ওই আচরণে কূটনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘিত হয়েছে বলেও তাদের সতর্ক করা হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র মিশন থেকে দেওয়া বিবৃতিতে কোন প্রেক্ষাপটে যৌথ বিবৃতিটি দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, “যেভাবে আমরা অনেকবার বলেছি, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের লক্ষ্যকে আমরা সমর্থন করি। “সেজন্য আমরা হিরো আলমের উপর সহিংসতার নিন্দা এবং পূর্ণ তদন্ত ও দোষীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে অন্যান্য বিদেশি মিশনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম।” পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, হিরো আলমের উপর হামলাকারীদের দুজনকে যে পুলিশ তখনই গ্রেপ্তার করেছিল, তা না জেনেই বিবৃতিতে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়, যার অপ্রযোজন ছিল না। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্রের বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নজরে রেখেই তারা ওই বিবৃতি দেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
