ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
বান্দরবানে হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন রহিমা বেগম
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Wednesday, 28 September, 2022, 4:38 PM

বান্দরবানে হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন রহিমা বেগম

বান্দরবানে হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন রহিমা বেগম

খুলনার আলোচিত রহিমা বেগমের আদালতে দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে পুলিশকে দেওয়া বক্তব্যের গরমিল পাচ্ছেন তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। তিনি বান্দরবান গিয়ে হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন। তাঁর সব বক্তব্য যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই শেষে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

এদিকে রহিমা বেগম, তাঁর মেয়ে মরিয়ম মান্নান, আদুরী আক্তারসহ পরিবারের সবাইকে গ্রেপ্তার করে বিচারের দাবি জানানো হয়েছে।

রহিমার ‘নিখোঁজ হওয়ার’ ঘটনায় করা মামলায় আর্থিক-সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো গতকাল খুলনায় সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবি জানিয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রহিমা পুলিশকে যে কথা বলেছিলেন, আদালতে তা বলেননি। তিনি আদালতে বলেন, অপহরণকারীরা তাঁকে ধরে নিয়ে গিয়ে বান্দরবানে ছেড়ে দেয়। সেখানে থেকে ট্রেনে করে ঢাকায় আসেন, পরে বোয়ালমারীর সৈয়দপুরে পৌঁছান। তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আরো বলছেন, বান্দরবান থেকে ঢাকা আসার কোনো রেললাইন নেই। এই তথ্যটি একেবারে ভুয়া। বারবার তিনি অপহরণের দাবি করছেন। অপহৃত হলে তাঁর কাছে ব্যাগ ও নিত্যব্যবহার্য জিনিসপত্র কিভাবে ছিল? উদ্ধারের সময় তাঁর কাছে এসব সামগ্রী পাওয়া যায়। তদন্তসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রহিমা বান্দরবানে গিয়েছিলেন। সেখানে হোটেলে কাজ নিয়েছিলেন। সেখানে লোকজনকে বলেছিলেন, তাঁর এক ছেলে ঢাকায় পড়াশোনা করে, টাকার প্রয়োজন। লোকজন তাঁকে পাশের আরেকটি কাজ ঠিক করে দেওয়ার চেষ্টা করে। সেখানে তাঁর কাজটি ঠিক হয়েও গিয়েছিল, তবে তাঁর কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) চায়। যা সংগ্রহ করার জন্যই তিনি ফরিদপুরে বোয়ালমারীর সৈয়দপুর গ্রামে যান।

পিবিআই খুলনার পুলিশ সুপার (এসপি) সৈয়দ মুশফিকুর রহমান জানান, তাঁরা রহিমা বেগমের দেওয়া দুটি বক্তব্যই যাচাই করে দেখছেন। তাঁদের কাছে দেওয়া বক্তব্য এবং আদালতে দেওয়া বক্তব্যে যেমন গরমিল আছে, তেমনি আদালতে দেওয়া বক্তব্যে অসত্য তথ্য আছে।

রহিমা ও তাঁর পরিবারের বিচার দাবি

গতকাল খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পক্ষে মালিহা মহিউদ্দিন মাহি বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রহিমা বেগমের কাছে ব্যাগ, কাপড়চোপড়, ওষুধ, প্রসাধন সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তিনি জন্ম নিবন্ধনের জন্য ফরিদপুরের ফরিদপুরের বোয়ালমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদেও গিয়েছিলেন, যা কোনোভাবে অপহৃত ব্যক্তির পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া পুলিশ ও আদালতে রহিমা বেগমের দেওয়া বয়ানেও পার্থক্য রয়েছে। তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হবে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status