ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
পদ্মা সেতুর বিরোধীতাকারীরা এখন গর্ব করছেন
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 24 June, 2022, 11:59 AM

পদ্মা সেতুর বিরোধীতাকারীরা এখন গর্ব করছেন

পদ্মা সেতুর বিরোধীতাকারীরা এখন গর্ব করছেন

পদ্মা সেতু নিয়ে সুর পাল্টাচ্ছেন অনেকেই। অতীতে দুর্নীতির কথিত অভিযোগ তুলে বিরোধিতা করলেও তারা এখন গর্ব অনুভব করছেন। সেই সমালোচকরা স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে কী ভাবছেন।

পদ্মা প্রকল্পে কল্পিত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার ছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। এর সঙ্গে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও সোচ্চার ছিলেন।

২০১২ সালের ২৯ জুলাই বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি বাতিলের ১৬ দিন আগে পদ্মা সেতুর কেলেঙ্কারির শিরোনামে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় প্রবন্ধ লিখেন ড. বদিউল আলম মজুমদার। যেখানে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র না খুঁজে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগ সমাধানের পরামর্শ দেন তিনি। দুর্নীতি দেশকে কীভাবে পিছিয়ে নিচ্ছে পদ্মা সেতু তার উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেন মজুমদার।

সরকার সেতু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করায় দুঃখ পান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। আট বছর পর এসে ইউটার্ন নিয়ে ২০২০ সালে দেবপ্রিয় বলেছিলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ সরকারের বড় সাফল্য, যা দেশের মানুষের উন্নয়ন এবং অর্থনীতির অগ্রগতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বব্যাংকের ঋণচুক্তি বাতিলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সুযোগ বন্ধ হয়ে গেল বলে মন্তব্য করেছিলেন সিপিডির মোস্তাফিজুর রহমান। তিনিও এখন বলছেন, পদ্মা সেতু খুলে দেবে সম্ভাবনার সব দুয়ার।
 
সুর পাল্টেছেন বদিউল আলম মজুমদারও।

তিনি বলেছেন, আমি অবশ্যই উৎফুল্ল, আনন্দিত। বাংলাদেশে এ রকম একটা স্থাপনা হয়েছে, এটা দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। নিঃসন্দেহ ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ।

অতীতে পদ্মা সেতু নিয়ে নেতিবাচক কিছু বলেছিলেন কি না, এখন মনেও করতে পারছেন না সুজন সম্পাদক।

এ বিষয়ে সময় সংবাদের মুখোমুখি হলে তিনি বলেন, আমার মনে হয় না। এ রকম কোনো মন্তব্য করেছি।

নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি হওয়া পদ্মা সেতু আজ সমৃদ্ধ হতে চলা বাংলাদেশের প্রতীক, স্বপ্নপূরণের মাইলফলক। সেই সঙ্গে এ সেতু সমালোচক ও চক্রান্তকারীদের মুখে চপেটাঘাতের এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত।
 
বহুল আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতু শনিবার (২৫ জুন) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর একদিন পর ২৬ জুন থেকে যান চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। এটি দেশের পদ্মা নদীর ওপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের সঙ্গে শরীয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে। ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে উত্তর-পূর্বাংশের সংযোগ ঘটবে।

দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত ট্রাস ব্রিজটির ওপরের স্তরে থাকবে চার লেনের সড়কপথ এবং নিচের স্তরটিতে একটি একক রেলপথ। পদ্মা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকায় ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১টি স্প্যান বসানো হয়েছে। ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ পরিকল্পনায় নির্মিত দেশটির সবচেয়ে বড় এ সেতু।

পদ্মা সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি। খরস্রোতা পদ্মা নদীর ওপর ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ হয়েছে স্বপ্নের এ সেতু। ২০১৪ সালে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status