ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩
যে কারণে খুলনার স্টেশনমাস্টারকে শোকজ, ৫ জনকে বদলি
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Thursday, 19 May, 2022, 11:16 PM

যে কারণে খুলনার স্টেশনমাস্টারকে শোকজ, ৫ জনকে বদলি

যে কারণে খুলনার স্টেশনমাস্টারকে শোকজ, ৫ জনকে বদলি

রেলওয়ের নিয়ম ভঙ্গ করে কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করায় শোকজ করা হয়েছে খুলনা রেলওয়ের স্টেশনমাস্টার মানিক চন্দ্র সরকারকে। পাশাপাশি টিকিট কালোবাজারির অভিযোগে খুলনা রেলের ৫ জন স্টাফকে বিভিন্ন স্টেশনে বদলি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে এই আদেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেছেন বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক পাকশী (ডিআরএম) মো. শাহেদুল ইসলাম।

জানা যায়, গত ১৬ মে স্টেশনমাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ এনে দুজন সহকারী স্টেশনমাস্টারসহ ৫ জন স্টাফের বিরুদ্ধে রেলওয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা হলেন টিএক্সআর বায়তুল ইসলাম, আইডব্লিউ অফিসের মো. জাফর মিয়া, তোতা মিয়া, সহকারী স্টেশনমাস্টার মো. আশিক আহম্মেদ ও সহকারী স্টেশনমাস্টার মো. জাকির হোসেন। এদের মধ্যে তোতা মিয়া রেলওয়ের স্টাফ নয়।

রেলওয়ের ব্যবস্থাপক এক নির্দেশে খুলনায় কর্মরত খালাসী পপিদুর রহমান ও বায়তুল ইসলামকে পার্বতীপুর, জাফর মিয়াকে যশোর, আশিক আহম্মেদকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রহনপুর এবং জাকিরকে টাঙ্গাইলের মহেড়া স্টেশনে বদলির আদেশ দেন।

বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক পাকশী (ডিআরএম) মো. শাহেদুল ইসলাম বলেন, স্টেশন মাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার রেল প্রশাসনকে না জানিয়ে পুলিশে জিডি করেছেন যেটা সঠিক করেননি। সে কারণে তাকে শোকজ করা হয়েছে। ৭ কার্যদিবসের মধ্যে মানিক চন্দ্রকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়েছে। তিনি যে অভিযোগ করেছেন তা আমরা তদন্ত করছি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তাদের বিভিন্ন স্টেশনে বদলির অর্ডার করেছি।

খুলনা স্টেশনমাস্টার মানিক চন্দ্র সরকার জিডিতে উল্লেখ করেছেন, খুলনা আইডব্লিউ অফিস স্টাফ, দুইজন সহকারী স্টেশন মাস্টারসহ ৫ জন কর্মকর্তা এবং আরও ৪-৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি সরাসরি টিকিট কালোবাজারির সঙ্গে জড়িত। তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নামে ভুয়া টিকিটের চাহিদা দিয়ে সংগ্রহ করেন।

টিকিট না পেলে বহিরাগত লোকদের ডেকে এনে সংঘবদ্ধ হয়ে মাস্টারকে হেনস্তা করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। তাদের টিকিটের চাহিদা এতোটা বেড়েছে যে টিকিট না পেলে স্টেশন ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ও মারধর করার মতো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পাঁয়তারা করছে।

প্রকৃত পক্ষে রেলের কোনো ভিআইপি টিকিট সংরক্ষিত নেই। কিন্তু তারা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে এ কাজে লিপ্ত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং স্টেশনের শান্তিশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এই জিডি করা হয়েছে।

এদিকে যাদের বিরুদ্ধে জিডি করা হয়েছে তারা বলেন, আমরা টিকিট কালোবাজারি করেছি তার কোনো প্রমাণ দিতে পারবেন না স্টেশনমাস্টার। সংরক্ষিত কোটার টিকিটগুলো সব সময় স্টেশনমাস্টার নিজে মেইনটেইন করতেন। আমাদের তিনি তালিকা দিলে আমরা সেই তালিকা অনুযায়ী টিকিট বিক্রি করতাম। যার প্রমাণ আছে আমাদের কাছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status