|
শাহজাহান একা নন, ‘তাজমহল’ বানিয়েছিলেন আরও অনেকেই!
কোথায় কোথায় রয়েছে সেগুলি?
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
শাহজাহান একা নন, ‘তাজমহল’ বানিয়েছিলেন আরও অনেকেই! ![]() শাহজাহান একা নন, ‘তাজমহল’ বানিয়েছিলেন আরও অনেকেই! তবে একইরকম উদ্যোগ নিয়েছিলেন সম্রাট ঔরঙ্গজেব নিজেই। অবশ্য পিতার স্মৃতির উদ্দেশে নয়। নিজের বেগম রাবিয়া-উদ-দৌরানির মৃত্যুর পর তাজমহলের নকশা অবলম্বনেই একটি সমাধিসৌধ গড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মহারাষ্ট্রের অওরঙ্গাবাদে ‘বিবি কা মাকবারা’ নামের সেই সৌধটি সম্পূর্ণ করেন সম্রাটপুত্র আজম খান। শাহজাহানের সিংহাসনে পরবর্তীকালে এসে বসেছিলেন যে ব্রিটিশ শাসকেরা, ভারতের অনেক সম্পদই তাঁরা নিজেদের দেশে নিয়ে গিয়েছেন। আসল তাজমহলটি নিয়ে যাওয়া সম্ভব না হলেও তারই আদলে এক স্থাপত্য গড়ে উঠেছে খোদ ইংল্যান্ডে। উনিশ শতকে ওয়েলসের রাজকুমার জর্জের বাসস্থান হিসেবে ইংল্যান্ডের ব্রাইটনে তৈরি করা হয় এটি। যার নাম ‘রয়্যাল প্যাভিলিয়ন’। নকল করার ক্ষেত্রে পৃথিবীজোড়া সুনাম রয়েছে যে দেশের, সেই চিনও এ ব্যাপারে পিছিয়ে নেই। চিনের শেনজেন শহরের ‘উইন্ডো অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ পার্কে রয়েছে তাজমহলের একটি প্রতিরূপ। আবার পৃথিবীর অন্যতম বিলাসবহুল ধনী শহর দুবাইয়ে একটি হোটেলের আকার নিয়েছে তাজমহল। কুড়িতলার এই পাঁচতারা হোটেলটির নাম ‘তাজ আরাবিয়া’। ভারতের প্রতিবেশী বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরেও রয়েছে ‘তাজমহল’। সে দেশের সব মানুষের পক্ষে ভারতে এসে তাজমহল দেখা সম্ভব নয়। এই কথা ভেবে ২০০৮ সালে এই প্রতিরূপটি বানিয়েছেন বাংলাদেশের চিত্রপরিচালক আহসানউল্লা। এ কথা ঠিক যে, সপ্তম আশ্চর্যের অন্যান্য নিদর্শনগুলির মতো তাজমহল এক ও একমাত্র নয়। কিন্তু বিশ্বজুড়ে এত প্রতিরূপ গড়ে ওঠাই বোধহয় তাজমহলের সৌন্দর্যের সবচেয়ে বড় শংসাপত্র। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
