|
গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাইফুল ইসলাম
নতুন সময় রিপোর্ট
|
![]() গাজীপুর সিটি নির্বাচন: জনপ্রিয়তায় এগিয়ে সাইফুল ইসলাম গাজীপুর সিটি নির্বাচনের প্রায় এক বছর পর অনুষ্ঠিত হলেও মেয়র প্রার্থীদের প্রচারণা তুঙ্গে । পুরো গাজীপুরের আনাচে কানাচে মেয়র প্রার্থীদের পোস্টার ফেস্টুন। গাজীপুরের চিত্র দেখলে মনে হবে শিঘ্রই হয়তো অনুষ্ঠিত হবে সিটি নির্বাচন। গাজীপুরের রাজনৈতিক সূত্র বলছে, মেয়র জাহাঙ্গীর বহিষ্কারের পর মেয়রের পদটি শূণ্য। এ স্থানে আগামীতে কে আসবে এ নিয়ে চলছে নগরজুড়ে আলোচনা। গতবার মহানগরের প্রবীন নেতা আজমত উল্লা খান মনোনয়ন না পাওয়ায় নেতাদের বেশিরভাগই মনে করছেন আগামীতেও হয়তো নতুন কোন নেতা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন এবং অপেক্ষাকৃত তরুণ নেতারা অগ্রাধিকার পাবেন। তাই নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে বেশ আগে থাকতেই প্রচারণায় নেমেছেন মেয়র প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগের নীতি নির্ধারকরা বলছেন, এবারে শতভাগ আওয়ামী পরিবারের সন্তান, কর্মী বান্ধব, জনবান্ধব কাউকে মনোনয়ন দেবে আওয়ামী লীগ। সেই বিবেচনায় এগিয়ে আছেন সাইফুল ইসলাম। হেভিওয়েট প্রার্থী আজমত উল্লাহ খান দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে ঠিক মত সমন্বয় কররেন না, এই অভিযোগ খোদ গাজীপুর আওয়ামী লীগ নেতাদের। অন্যদিকে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেলকে পুরোপুরি আওয়ামী পরিবারের বলতে নারাজ দলীয় নেতা কর্মীরা। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গাজীপুর-১ আসনে (কালিয়াকৈর, গাজীপুর সিটির একাংশ) আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে আপন দুই ভাই দলীয় মনোনয়ন ফরম ক্রয় করেছেন। এরা হলেন, গাজীপুর মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল আওয়ামী লীগ থেকে এবং গাজীপুর মহানগর শ্রমিকদলের সভাপতি ও সিটি করপোশনের ১৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ফয়সাল আহমাদ সরকার। আওয়ামী লীগ আমলে কামরুল আহসান সরকার আর বিএপি আমলে ফয়সাল আহসান সরকার, রাজত্ব এক পরিবারেরই, এমন অভিযোগ গাজীপুরবাসির। অপরদিকে সাধারণ জনগণ ও তরুণদের কাছে জনপ্রিয় মুখ হিসেবে এগিয়ে রয়েছে গাজীপুর মহানগর যুবলীগের যুগ্ম-আহবায়ক সাইফুল ইসলাম। সাইফুল গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং টঙ্গী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। টঙ্গী কলেজ ছাত্র সংসদেরও নেতা ছিলেন। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিরও সদস্য ছিলেন তিনি। সাইফুল মুজিব বর্ষ উপলক্ষ্যে ২০ জন দরিদ্রকে ঘর তৈরী করে দিয়েছেন। যা যুবলীগের চেয়ারম্যান ফজলে শামস্ পরশ উদ্বোধন করেছেন। এছাড়া ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত একশো’টির বেশি পরিবারকে ঘর তৈরী করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম বলেন, ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে আমার হাতেখড়ি। সব সময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকার। জনপ্রতিনিধি হতে পারলে সাধারণ মানুষের সেবা করার পরিধি অনেক বেড়ে যায়। তিনি বলেন, নির্বাচনের এখনো অনেক সময় বাকি। কিন্তু আমাদের রাজনীতির সংস্কৃতি হল বিভিন্ন দিবস বা ইস্যুতে যে যার প্রচারণা চালায়, পোস্টার ফেস্টুন করে। এটা দৈনন্দিন রাজনীতির একটি অংশ। সব মিলিয়ে গাজীপুরের চায়ের দোকান, অলিতে গলিতে আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে কে হচ্ছেন গাজীপুরের আগামি দিনের নগর পিতা।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
