রাশিয়ান ও ইউক্রেনীয় বাহিনী বৃহস্পতিবার কিয়েভের উত্তর উপকণ্ঠে একটি বিমান ঘাঁটির জন্য লড়াই করছিল। কয়েক ডজন হামলার পর বেলারুশ থেকে রাজধানী অভিমুখে আসতে শুরু করে হেলিকপ্টার। রাশিয়ান বিমানবাহী সেনারা গোস্টোমেল বিমানঘাঁটির নিয়ন্ত্রণ দখল করেছে।
তবে ইউক্রেনের নেতা প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ভিডিও বার্তায় বলেন, কিন্তু গোস্টোমেলে শত্রু প্যারাসৈন্যদের অবরুদ্ধ করা হয়েছে এবং তাদের ধ্বংস করতে সৈন্যদের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে এএফপির সাংবাদিকরা উত্তর দিক থেকে হেলিকপ্টারগুলোকে শহরের ওপর দিয়ে উড়তে দেখেছিলেন। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ ভ্যালেরি জালুঝনি বলেন, গোস্টোমেল বিমানঘাঁটির জন্য লড়াই চলছে।
গোস্টোমেল বিমানঘাঁটি আন্তোনভ বিমানবন্দরের পাশে কিয়েভের ঠিক উত্তর প্রান্তে। রাশিয়ান বাহিনী তাদের আক্রমণের প্রথম দিনেই ইউক্রেনের রাজধানীর কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার কিছু আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনে হামলার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, সামরিক অভিযানের লক্ষ্য ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ‘গণহত্যা’ থেকে রক্ষা করা। পাল্টাপাল্টি হামলায় উভয় পক্ষের ১০০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের ১১টি বিমানঘাঁটিসহ ৭৪টি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে। সূত্র: এএফপি