মাত্র ১১ বছর বয়সে ইংরেজির শিক্ষক চট্টগ্রামের মাইসুন (ভিডিও)
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 28 July, 2021, 1:09 PM
মাত্র ১১ বছর বয়সে ইংরেজির শিক্ষক চট্টগ্রামের মাইসুন (ভিডিও)
মাত্র ১১ বছর বয়সে ইংরেজি শিক্ষক সত্যই কথাটা শুনে কিছুটা হলেও অবাক হবেন যে কেউ। তবে চট্টগ্রামের শিশু মাইসুন এই কাজটি সফলতার সাথে করছেন। তবে এই শিশুটি কোনও একাডেমিক বা কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নয়, তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেলে ইংরেজি শিখিয়ে থাকে। মাইসন অনলাইনে খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। তাঁর চ্যানেলে তিন লাখের কাছাকাছি দর্শক রয়েছে। মাইসুন শুধু দেশে নয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও প্রতিভার স্বাক্ষরও রেখে চলেছে।
বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগেরই ইংরেজিতে দুর্বলতা রয়েছে। তবে এই দুর্বলতা, ভ’/য়কে জয় করে মাত্র ১১ বছর বয়সে ইংরেজিতে অনেক দক্ষতা অর্জন করেছে ক্ষুদে শিক্ষকখ্যাত চট্টগ্রামের মেয়ে উম্মে মাইসুন। শুধু নিজে শেখা নয়, অন্যদেরও ইংরেজি শেখায় সে। অনলাইনে রবি টেন মিনিট স্কুল দিয়ে যাত্রা শুরু করা মাইসুন মাত্র আট বছর বয়স থেকে অনলাইনে ইংরেজি শেখায়।
মাইসুন ওয়ার্ল্ডের সাবস্ক্রাইবার প্রায় তিন লাখ। অ’বাক হওয়ার বিষয় হলো, সে কোনও ইংলিশ মিডিয়ামের ছাত্রী না। চট্টগ্রাম মহিলা সমিতি বালিকা বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে। নিজ চেষ্টাতেই দক্ষতা অর্জন করেছে সে।
মাইসুন বলেন, আমার দুটো বোন আছে তারা ম্যানচেস্টারে থাকে। তারা আমার সাথে ব্রিটিশ ইংরেজিতে কথা বলতো। তাদের কথাগুলো বুঝতে আমার অনেক কষ্ট হতো। আমি চিন্তা করে দেখলাম তারা আমার বয়সী হয়ে এরকম সুন্দর ইংরেজি বলতে পারে। আমি কেনও পারবো না। সো আমি একটা জে’দ নিলাম ইংরেজি শিখবই শিখবো। তো এটা আমার জন্য ইজি হয়ে গেলো। আমি ইংরেজি শিখতেও পারলাম।
২০২০ সালের জুন মাসে ফে’সবুক পেজে মাইসুনের প্রথম ভিডিও প্রকাশ হয়। সেটা রাতারাতি মিলিয়ন ভিউ হয়ে ভা’ইরাল হয়ে যায়। এরপর থেকে ইংরেজিতে কথোপকথনের সহজ উপায়, ইংরেজি শব্দের ব্যবহার, বাক্যগঠনসহ বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিও আপলোড করে মাইসুন। ভার্চুয়াল জগতে খুবই জনপ্রিয় ছোট্ট মাইসুন।
মাইসুন আরও বলেন, ইংরেজি শেখার জন্য ইংরেজি মিডিয়াম বা বাংলা মিডিয়াম কোনও মেন্ডেটরি নয়। আমাদের একটা ইচ্ছা এবং কনফিডেন্স থাকতে হবে। তাহলে ইংরেজি শেখা আমাদের জন্য সহজ হবে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিভার সাক্ষর রাখছে মাইসুন। বিশ্ব বদলে দেয়া প্রতিভাবান শিশুদের নিয়ে ’অ্যাওয়ার্নেস ৩৬০’ এর আন্তর্জাতিক সেমিনারে ক্ষুদে জাদুকর হিসেবে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করে মাইসুন। মাইসুন বড় হয়ে বিজ্ঞানী হতে চায়।
"আমি এখনও শিখে চলেছি," বললো মাইসুন। আমি শুধু আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। যাতে আমার বয়সের বা’/চ্চারাও এগিয়ে আসে। আমি আমার অতিরিক্ত সময়ে আরও বেশি বই পড়ি।
মাইসুনের ভিডিওগুলি দেশে জনপ্রিয়তা পাওয়ার সাথে সাথে তার চ্যানেলটি দেশী এবং বিদেশী সংস্থা হতে বিজ্ঞাপন পায়। অল্প বয়সে, সে ইউটিউব চ্যানেল হতে ভাল আয় করেছে। এটি সবার প্রত্যাশা যে মাইসন তার অনন্য প্রতিভার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়েও এক সময় খ্যাতি অর্জন করবে।