|
যেসব আমলে উপার্জন বৃদ্ধি পায়
ফরহাদ খান নাঈম
|
![]() যেসব আমলে উপার্জন বৃদ্ধি পায় মোট কথা, পৃথিবীতে কেউই বসে নেই। সবাইকেই আল্লাহতায়ালা যেকোনো উপায়ে উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। যুগের আধুনিকায়নের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে মানুষের জীবনযাত্রার মান। বেড়ে গেছে জীবিকার চাহিদা। সঙ্গে বেড়েছে মানুষের উপার্জন বৃদ্ধির প্রচেষ্টা। আন্তরিকতা ও একনিষ্ঠ পরিশ্রমের পাশাপাশি নিম্নোক্ত কাজগুলো করার মাধ্যমে সহজেই উপার্জনের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে- ১. আল্লাহর ওপর ভরসা করা হজরত ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, আমি রাসুলকে (সা.) কে বলতে শুনেছি, ‘তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথ তাওয়াক্কুল করতে, তাহলে তিনি পাখিদের যেভাবে রিজিক দান করেন, তোমাদেরও সেভাবে রিজিক দান করতেন। পাখিরা অতি প্রত্যুষে খালি পেটে বের হয়ে যায় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে বাসায় ফিরে আসে।’ (তিরমিজি: ২৩৪৪) ২. বেশি বেশি ইবাদত করা হাদিসে কুদসিতে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আল্লাহতায়ালা বলেছেন-‘হে আদম সন্তান! আমার ইবাদতের জন্য তুমি নিজের অবসর সময় তৈরি কর ও ইবাদতে মন দাও; তাহলে আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং তোমার দারিদ্র্যকে দূর করে দেব।আর যদি তা না কর, তবে-তোমার হাতকে ব্যস্ততায় ভরে দেব এবং তোমার অভাব কখনোই দূর হবে না।’ (তিরমিজি) ৩. দান সদকা করা হাদিসে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন-‘আল্লাহতায়ালা বলেন : হে আদম সন্তান! খরচ কর। আমিও তোমার উপর খরচ করব।’ (বুখারি) ৪. কর্মে সততা অবলম্বন করা রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যদি ক্রেতাবিক্রেতা উভয়েই সততা অবলম্বন করে ও পণ্যের দোষ-ত্রুটি প্রকাশ করে, তাহলে তাদের পারস্পরিক এ ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত হবে। আর যদি তারা মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং পণ্যের দোষ গোপন করে তাহলে তাদের এ ক্রয়-বিক্রয়ে বরকত শেষ হয়ে যাবে। (বুখারি ও মুসলিম) ৫. সন্তান নেওয়া আল্লাহতায়ালা বলেন, অভাব-অনটনের ভয়ে তোমরা তোমাদের সন্তানদেরকে হত্যা করো না। আমিই তাদেরকে রিজিক দেই এবং তোমাদেরকেও। নিশ্চয় তাদেরকে হত্যা করা মহাপাপ। (সুরা বনী ইসরাইল: ৩১) ৬. আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করা আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি প্রিয় নবীকে (সা.) বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি রিজিকের প্রশস্ততা ও আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে। (বুখারি: ৫৫৫৯) |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
