নতুন জাহাজ কোন সুফল বয়ে আনবে না যদি না স্পীড বোট বন্ধ না হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ৬ই মে সন্দ্বীপবাসীদের নৌ-দুর্ভোগ লাগবে কুমিরা- গুপ্তছড়া রুটে ৫০০ আসন বিশিষ্ট জাহাজ এম ভি আইভি রহমান উদ্বোধন করেন। নতুন জাহাজ উদ্বোধনের পর যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হয়েছে। কিন্তু জাহাজ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী ঘাট ইজারাদারদের দৌরাত্ম্য নিয়ে সংশয় কাটেনি সন্দ্বীপবাসীর।
কুমিরা - গুপ্তছড়া ঘাট যদিও বি আই ডব্লিউ টির অধীনে, এতদিন ঘাটটি চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের অধীনে ইজারাদার দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল। নতুন জাহাজ উদ্বোধনের পর ঘাটটি এখন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন। মালামাল পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত গুদিঘাট কিন্তু জেলা পরিষদ নিয়ন্ত্রিত ইজারাদারদের দখলে। কিন্তু দেখা যায় ইজারাদাররা জেলা পরিষদ, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং বি আই ডব্লিউ টির কর্মকর্তাদের যোগসাজশে স্পীড বোটের মাধ্যমে সারাদিন যাত্রী পারাপার করে থাকে। এইভাবে স্পীড বোটে সারাদিন যাত্রী পারাপার এর কারণে যাত্রীরা স্টীমারে যাতায়াতে অনীহা প্রকাশ করবে বলে মনে করেন রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ডাঃ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ও রূপনগর সমাজ কল্যাণ সমিতি, চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির সভাপতি ডাঃ দিবাকর চন্দ্র দাস।
তারা মনে করে যাত্রীরা সময স্বল্পতার কারণে স্পীডবোটেই বেশী যাতায়াত করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। এতে করে স্টীমার যাত্রী সংকটে পড়ে লোকসান গুনবে এবং বন্ধ হয়ে যাবে। ওনারা আরো মনে করেন যদি স্টীমার সার্ভিস সচল রাখতে হয তবে ঘাট ইজারাদারদের দৌরাত্ম বন্ধ করতে হবে এবং ভোর হতে স্টীমার সিডিউল সময় পর্যন্ত স্পীড বোট চলাচল বন্ধ বাখতে হবে।
স্টীমার সার্ভিস সচল রাখতে যাত্রী সাধারণ ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে যাতে করে স্টীমার সিডিউলের সময়ে স্পীড বোট চলাচল বন্ধ থাকে। নচেৎ সন্দ্বীপবাসীর যেই লাউ সেই কদু অবস্থাই থাকবে।