ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ৩০ মে ২০২৬ ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
করোনা রুখতে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন হয়নি এখনো: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 25 July, 2020, 10:58 PM

করোনা রুখতে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন হয়নি এখনো: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

করোনা রুখতে হার্ড ইমিউনিটি অর্জন হয়নি এখনো: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

মহমারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা তথা হার্ড ইমিউনিটি অর্জন এখনো সম্ভব হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি লাইভ ইভেন্টে জেনেভার ডব্লিউএইচও কার্যালয় থেকে যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে এই ভাইরাস সংক্রমণের আরো কয়েকটি ধাপ পার হতে হবে।

সৌম্য স্বামীনাথন বলেন, ‘করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে কোনো জনগোষ্ঠীর ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষের রোগটিকে প্রতিরোধের ক্ষমর্তা অর্জন করা লাগবে।’

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে অন্যতম আলোচিত শব্দ হার্ড ইমিউনিটি। এর মাধ্যমে একটি জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষের কোনো রোগ প্রতিরোধের স্বাভাবিক ক্ষমতা অর্জন করাকে বোঝানো হয়। সাধারণত ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ মানুষ এই ক্ষমতা অর্জন করলে ওই নির্দিষ্ট রোগের ক্ষেত্রে জনগোষ্ঠীটি হার্ড ইমিউনিটি অর্জন করেছে বলে ধরে নেয়া হয়।

বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন সতর্ক করেছেন, অন্তত আগামী বছর বা আরো কিছু সময় পর্যন্ত ভাইরাসটিকে প্রতিরোধের স্বার্থে সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে। এ সংক্রান্ত কার্যক্রমের গতি বাড়াতে হবে। এই সময়ের মধ্যে বিজ্ঞানীরা এর ভ্যাক্সিন নিয়ে কাজ করবেন বলেও জানান তিনি।

স্বামীনাথন মনে করেন, ওষুধ উদ্ভাবিত হলে করোনায় মৃতের হার কমে যাবে আর মানুষ ভাইরাসের সঙ্গে বসবাস করাও শিখে যাবে। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘হার্ড ইমিউনিটির ধারণায় জনগোষ্ঠীর ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ মানুষকে এই প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে হবে যাতে করে সত্যিকার অর্থে সংক্রমণ শৃঙ্খল ভেঙে দেয়া সম্ভব হয়।’

তিনি বলেন, ভ্যাকসিনের মাধ্যমে এটা খুব সহজেই করা যায়; মানুষের অসুস্থতা আর মৃত্যু ছাড়াই দ্রুত এটা অর্জন করা যায়। সুতরাং প্রাকৃতিক সংক্রমণের মাধ্যমে হার্ড ইমিউনিটি সৃষ্টি হওয়ার চেয়ে ভ্যাক্সিন দিয়ে এটি অর্জন করা ভালো। কেননা প্রাকৃতিক সংক্রমণের মধ্য দিয়ে এই প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করতে গেলে ভাইরাসটির একাধিক তরঙ্গ লাগবে এবং দুর্ভাগ্যজনকভাবে অনেকে মারা যাবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই বিজ্ঞানী আরো বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময় পার হলে মানুষ প্রাকৃতিক প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন শুরু করবে। আক্রান্ত বিভিন্ন দেশে এখন পর্যন্ত পরিচালিত গবেষণায় দেখা যাচ্ছে সাধারণত ৫ থেকে ১০ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। অনেক জায়গায় এর পরিমাণও আরও বেশি-প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখনো সংক্রমণ পর্যায় পার করায় মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে আর এসব মানুষ নির্দিষ্ট কিছু সময় পর্যন্ত রোগটি প্রতিরোধে সক্ষম থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে তারাও সংক্রমণ শৃঙ্খলে বাধা হিসেবে কাজ করবে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status