নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নৌরুটে এলোমেলো বার্থিং (নোঙর করা) বন্ধের লক্ষ্যে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর। গত মঙ্গলবার ঢাকাস্থ নৌপরিবহন অধিদফতরের নৌআদালতে ১৫টি নৌযানের মালিক, মাস্টার ও ড্রাইভারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক (নৌ নিট্রা) নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের সহকারী পরিচালক (নৌ নিট্রা) বাবু লাল বৈদ্য।
শীতলক্ষ্যার আকিজ সিমেন্ট, নবীগঞ্জ, মদনগঞ্জ ও শাহ সিমেন্ট এলাকায় এলোপাতাড়ি বার্থিং করার অভিযোগে ঢাকাস্থ স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) নৌআদালতে ১১টি নৌযানের মালিক, মাস্টার ও ড্রাইভারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন বাবু লাল বৈদ্য। ওই ১১টি নৌযান হলো—এমভি কফিলউদ্দিন-২, এমভি আল সাঈদ, এমভি ইয়া হাফিজু-২, এমভি এসএ বাশার, এমভি এসএ বাশার-১০, এমভি সাইফুল বাহার, এমভি সেতু-৫, এমভি নাবিল খান-২, এমভি আল সামিট-২, এমভি আরিয়া-১, এমভি আরিয়া-২।
এছাড়া অতিরিক্ত পণ্য বোঝাই করে ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করায় ৪টি বালুবাহী বাল্কহেডের মালিকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের নৌআদালতে মামলা দায়ের করা হয়। অভ্যন্তরীণ নৌ-অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ (সংশোধনী ২০০৫) এর কয়েকটি ধারা অনুযায়ী মামলা ২টি দায়ের করা হয়। বালুবাহী নৌযান ৪টি হচ্ছে—এমভি হাজী পরিবহন, এমভি মোহাম্মদ আলী অ্যান্ড কোং, এমভি রাতুল অ্যান্ড তুলি ও এমভি রাহিমা।
জানা গেছে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে শীতলক্ষ্যার উভয় তীরে এলোপাতাড়ি জাহাজ বার্থিং বন্ধে অভিযান শুরু করে বিআইডব্লিউটিএ, নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দর। ২ ফেব্রুয়ারি এলোপাতাড়ি বার্থিংয়ের কারণে সে সময় ৬টি নৌযানের মালিক, মাস্টার ও ড্রাইভারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ঢাকাস্থ নৌপরিবহন অধিদফতরের নৌআদালতে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর শীতলক্ষ্যায় শৃঙ্খলা ফিরে এসেছিল। তবে কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবারও শুরু হয় এলোমেলো বার্থিং।