|
আসলে কারা অনুপ্রবেশকারী?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() আসলে কারা অনুপ্রবেশকারী? তালিকায় দেশের আট বিভাগের জেলাগুলোতে বিভিন্ন দল থেকে আওয়ামী লীগে আসা নেতাকর্মীদের নাম রয়েছে। তবে এ তালিকায় নেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রবেশকারী নে’তার নাম। স্বাধীনতাবিরোধী পরিবারের সদস্য, ফ্রিডম পার্টির সাবেক নেতা ছিলেন এমন অনেকের নাম নেই তালিকায়। আবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত নন, এমন ব্যক্তির নামও রয়েছে তালিকায়। অসম্পূর্ণ এবং ভুল তথ্যও রয়েছে তালিকায়। ফলে এ তালিকা নিয়ে রাখঢাক করছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারাও। আট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা এ তালিকার বিষয়ে তথ্য জানাতে চাইছেন না। অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা প্রকাশের পর বিব্রত দু-তিন দশক আগে বিভিন্ন দল থেকে আওয়ামী লীগে আসা অনেক নেতা। অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ না করায় তাঁরা তৃণমূল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন। দলীয় প্রতিপক্ষরাও এ সুযোগে তাঁদের নানাভাবে নাজেহালের চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, তালিকাটিতে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে যাঁদের চিহ্নিত করা হয়েছে তাঁদের বেশির ভাগই বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। কিন্তু বিএনপির যাঁরা অপকর্মে বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন না তাঁদের আওয়ামী লীগে ভেড়ালে বরং লাভই হবে। যাঁরা যুদ্ধাপরাধী জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে যুক্ত, কিংবা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দল ফ্রিডম পার্টিতে যুক্ত ছিলেন তাঁদের আওয়ামী লীগে যোগদানের বিষয়টি কঠোরভাবে বন্ধ করে অন্যদের জন্য দরজা খুলে রাখাই বরং ভালো হবে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি থেকে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির যেসব নেতাকর্মী আওয়ামী লীগে আসতে চায় তাদের জন্য দরজা বন্ধ রাখলে তো বিএনপিকে দুর্বল করা যাবে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে, তারা যেন আওয়ামী লীগে গুরুত্বপূর্ণ কোনো পদ না পায়।’ তালিকাভুক্ত অনুপ্রবেশকারীরা সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন কি না জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘এটা তাদের অপরাধের মাত্রা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ অনুপ্রবেশকারীরা আওয়ামী লীগে যুক্ত থাকতে পারবেন কি না বা তাঁদের বিরুদ্ধে কী ধরনের সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফর উল্যাহ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক জানান, বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি। শিগগিরই এ বিষয়টি নিয়ে অস্পষ্টতা দূর করা হবে। আওয়ামী লীগের একজন সাংগঠনিক সম্পাদক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'তালিকা নিয়ে আমরা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা মহাঝামেলায় আছি। কেউ বলছেন, ‘ভাই, আমি তো অমুক এম’পির সঙ্গে কথা বলে অনুষ্ঠান করে যোগ দিলাম, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদ ছাড়লাম, এখন আপনারা বানালেন অনুপ্রবেশকারী।’ আবার কেউ কেউ ফোন করে বলছেন, ‘ভাই, অমুককে বাদ দিয়ে কিভাবে তালিকা হয়?'
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
রেজাউর রহমান ফাহিম বনানী থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
বনশ্রী সোসাইটি নির্বাচন: এগিয়ে বাতেন-দুলাল পরিষদ, যুগ্ম শিক্ষা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে রাশেদ আকন
বিদেশে কাজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরলেন হাজার হাজার কর্মী
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জরিপ নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা
