বর্ণমালা স্কুলের সোশ্যাল হল রুমে ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। প্রবাসের মাটিতে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের লালন ও বিকাশের জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বিনা খরচে ৬ শিক্ষক/শিক্ষিকার মাধ্যমে প্রবাসে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য প্রচারে বর্ণমালা স্কুল কাজ করে যাচ্ছে।
বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, যারা এখানে বেড়ে উঠছে একটি মিশ্র সাংস্কৃতিক পরিবেশে, তাদের কাছে স্বদেশ, স্বদেশি ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে, যাতে করে তারা বাংলাদেশের গৌরবময় সাংস্কৃতিক চৰ্চার ধারাকে অব্যাহত রেখে বাংলাদেশের নাম সমুজ্জ্বল রাখতে পারে।
প্রবাসী শিশুদের মাঝে বাংলা সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহিত করার ধারাবাহিকতায় বাংলা উৎসব ২০১৯ দ্বিতীয়বারের মতো গত ৭ সেপ্টেম্বর সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বর্ণমালা স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা উপভোগ করতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও ভয়েস অব আমেরিকার কর্মকর্তা ছাড়াও হাজারো অতিথিদের আগমনে সঞ্চারিত হয়েছিল একটি বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
এরই ধারাবাহিকতায় স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও উৎসাহিত করার জন্য সংবর্ধনা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
কাউন্সিলর রাজনৈতিক শহিদুল আলম বলেন, আজকে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে ৪০ জন ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা পুরস্কার তুলে দিতে পেরে নিজে এবং বাংলাদেশ দূতাবাস গর্বিত অনুভব করছে। অনুষ্ঠানে শিশুদের ছাড়াও বর্ণমালা স্কুলের মিডিয়া ও প্রেসের পরিচালক দেওয়ান বিপ্লবকে সুন্দর মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি ও স্কুলের কার্যক্রমকে গতিশীল রাখার অবদান স্বীকৃত স্বরূপ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের মধ্যে বর্ণমালা স্কুলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ডাটা গ্রুপের প্রেসিডেন্ট জাকির হোসেনসহ কমনওয়েলথ মর্টগেজের সিইও তৌফিক মতিন, সাহা এজেন্সির সঞ্জিত সাহা, এএমএন রিয়েলিটির নিজাম উদ্দিন, ফেয়ারওয়ে মর্টগেজের দিলাল আহমেদ, কুইকসেলের মাসুদ আহসান, আইটি কন্সাল্ট্যান্ট আনোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মাননা ও অতিথিদের বক্তব্যের পরে বর্ণমালা স্কুলের সংগীত পরিচালক স্বর্ণালী ও শিক্ষাবিষয়ক পরিচালক সাবিনার সঞ্চালনায় একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পর্ব আয়োজন করা হয়। যেখানে স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষাৰ্থী গান ও নৃত্য পরিবেশনসহ স্থানীয় শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর গানে গানে মুখরিত হয়ে উঠে।