ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
আইসিটি খাতে অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চায় বিআইজেএফ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 23 June, 2019, 4:44 PM
সর্বশেষ আপডেট: Sunday, 23 June, 2019, 4:48 PM

আইসিটি খাতে অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চায় বিআইজেএফ

আইসিটি খাতে অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি চায় বিআইজেএফ

১০ বছরের ব্যবধানে প্রস্তাবিত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় বাজেটে আইসিটি খাতে ১৫ হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা বরাদ্দের সুপারিশ করা হয়েছে। এই বাজেট তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ)।

মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে যে বিপ্লব শুরু হয়েছে তা সত্যিই প্রশংসাযোগ্য। তবে এসব কারখানা থেকে দেশের চাহিদা অনুযায়ী ডিভাইস তৈরি হতে আরও কমপক্ষে দুই বছর সময় লাগবে। ই-কমার্স খাত, ইন্টারনেট মূলত স্মার্টফোন নির্ভর। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও নির্মাতাদের সুরক্ষা দিতে কম্পিউটার-ল্যাপটপ ও সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যার পণ্যেও দেশীয় নির্মাতা এবং ই-কমার্স, রাইড শেয়ারিং ও অনলাইন ভিত্তিক দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্য বাজেটে সুস্পষ্ট ঘোষণা থাকা দরকার।



তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এ বরাদ্দ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। তবে এ খাতের উন্নয়নে বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

রোববার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরাম (বিআইজেএফ) আয়োজিত ‘২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট : তথ্যপ্রযুক্তি খাত নিয়ে পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিআইজেএফ এর সাধারণ সম্পাদক হাসান জাকির বলেন, দেশের ৭০ ভাগ তরুণ ৩৫ বছরের নিচে। এই তরুণ প্রজম্মকে কাজে লাগিয়ে আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরি করা সম্ভব। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আইসিটির ৪টি বিষয়কে অগ্রাধিকার ক্ষেত্র হিসেবে ধরা হয়েছে, ই-গভর্নেন্স, ই-শিক্ষা, ই-বানিজ্য এবং ই-সেবা।

তিনি বলেন, বাজাটে স্মার্টফোন আমদানীতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়ে। লোকাল ইন্ড্রাস্টিকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে বিদেশ থেকে ফোন আমদানী শুল্ক বাড়ানো যুক্তিযুক্ত নয়। অবশ্যই লোকাল ইন্ড্রাস্টিকে আমাদের প্রমোট করতে হবে। তবে এখনিই লোকাল ইন্ড্রাস্টির পক্ষে আমাদের স্মার্টফোনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। ফোনে আমদানী শুল্ক বাড়লে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, এবারের বাজেটে স্টার্টআপের জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই অর্থ দিয়ে তরুণ প্রজম্মকে উদ‌্যোক্তা হওয়ার মনোভাব তৈরি করতে হবে। এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগানো হোক।  তথ্যপ্রযুক্তি খাতে অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা চায় বিআইজেএফ। প্রত্যেকটি কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকা প্রয়োজন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা থাকলে এই বাজেট দিয়ে ভালো কিছু করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, এবারের বাজেটে ই-কমার্সে ৭.৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। আমরা মনে করি এই সেক্টর থেকে ভ্যাট আরোপ করার এখনো সময় হয়নি। কমপক্ষে আগামী ৫ বছর এই সেক্টরকে ভ্যাটের আওতার বাহিরে রাখতে হবে। ই-কমার্সে ছোট ছোট উদ্যোক্তা। তাদের উপর এই ভ্যাট যুক্ত হলে হুমকির মুখে পড়বে ই-কমার্স।

অনুষ্ঠানে আব্দুল হক অনু বলেন, ‌তথ্যমন্ত্রনায় এবং অন্য মন্ত্রনালয় যুক্ত হয়ে অনেক প্রজেক্ট করা ফলে একটি সম্বনয়হীনতার অভাব লক্ষ্য করা গেছে। ই-কমার্সে ভ্যাট এই মূহুর্তের জন্য ভালো সঙ্কেত না। সরকার ই-কমার্সে ট্রেড লাইসেন্স দিচ্ছে না। আমরা আগে দেখতাম বিজ্ঞান মন্ত্রনালয় স্কুল গুলোতে নানা অনুষ্ঠান করতো। এখন এই বিষয়ে তেমন প্রচারণা চোখে পড়ে না। এখানে আরো বেশি গুরুত্ব দেয়া উচিত।

পল্লব মোহাইমেন বলেন, ‘সরকারের লার্নিংসহ বিভিন্ন প্রকল্পের ফল দেখতে হবে। স্মার্টফোন যেহেতু জীবন বদলে ভূমিকা রাখছে। তাই এতে শুল্ক কমানোর কথা ভাবা যেতে পারে। ই-কমার্স খাতকেও শুল্কের বাইরে রাখা উচিত।

অনুষ্ঠানে বিআইজেএফ সভাপতি মোজাহেদুল ইসলাম ঢেউয়ের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক হাসান জাকির।

আরো উপস্থিত ছিলেন, সহসভাপতি নাজনীন নাহার, বিআইজেএফ এর সহসভাপতি নাজনীন নাহার, সহ সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, কোষাধ্যক্ষ এনামুল করিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম রাহাদ এবং নির্বাহী সদস্য রাহিতুল ইসলাম রুয়েল। সিনিয়র সদস্য, পল্লব মোহাইমেন, আব্দুল হক অনু এবং আব্দুল ওয়াহেদ তমাল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে সরকারের অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একই প্রকল্পের মতো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রকল্পগুলো না নেওয়া হয় এবং বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছ থাকার প্রয়োজনীয়তার বিষয়গুলো তুলে ধরনে। অনুষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের সংগঠন বেসিস, বিসিএস, আইএসপিএবি, বাক্য, ই-ক্যাবের দাবির বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status