|
লটারিতে কপাল পুড়েছে কৃষকের
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
লটারিতে কপাল পুড়েছে কৃষকের উপজেলা খাদ্যশস্য সংগ্রহ ও মনিটরিং কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা ছানাউল ইসলামের সভাপতিত্বে এ লটারির ব্যবস্থা করা হয়। তবে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করায় একদিকে যেমন কৃষকদের কপাল পুড়ল অপরদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ও ভোগান্তি থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছে কৃষক এবং গুদাম কর্তৃপক্ষ। কৃষকরা বলছেন, এ বছর ধানের ফলন কম। কিন্তু ধান উৎপাদন ও শ্রমিক খরচ বেশি। অপরদিকে বাজারে ধানের দাম কম। প্রতি মণ ধান উৎপাদন করতে যেখানে প্রায় সাড়ে ৮শ টাকা খরচ হয়েছে। সেখানে বাজারে ধান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৪শ থেকে সাড়ে ৬শ টাকা মণ। প্রতি মণ ধানে প্রায় ৩শ টাকা করে লোকসান গুনতে হচ্ছে। আবার সরকার ধান কিনছেন পরিমাণে কম। উপজেলা পর্যায়ে যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা পর্যান্ত নয়। তাই লটারির মাধ্যমে ধান কেনায় কৃষকদের কপাল পুড়ছে। বলতে গেলে ধানের আবাদ করেই কৃষকদের কপাল পুড়েছে। কৃষকদের দাবি, কৃষক বাঁচাতে ধান সংগ্রহের বরাদ্দ আরও বাড়ানো হোক। বুধবার পর্যন্ত ১১ টন ধান কেনা হয়েছে। ঈদ-পরবর্তী সময়ে বাকি ইউনিয়নগুলোতে লটারির মাধ্যমে কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে। লটারি ছাড়া ধান কেনা হলে হুমড়ি খেয়ে সবাই গুদামে ধান নিয়ে আসতো। ধানের গুণগত মানের কারণে আবার অনেককে ফেরত নিয়ে যেতে হতো। এতে কৃষকদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। লটারির মাধ্যমে ধান কেনায় কৃষকরা তাদের ধান ভালো করে শুকিয়ে ও পরিষ্কার করে ধীরস্থিরভাবে গুদামে নিয়ে আসতে পারবেন। আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছানাউল ইসলাম বলেন, স্থানীয়ভাবে কৃষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে লটারির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভবনা থাকবে না। কারণ ‘আগে আসলে, আগে ধান কেনা হবে’ এমন পদ্ধতি চালু থাকলে বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা গুদামে ধান দিতে পারতেন না। আশপাশে যেসব কৃষক আছেন তারাই গুদামে ধান সরবরাহ করতেন। এতে অনেক কৃষকই বঞ্চিত হতেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
